1. news@dailyupokulbarta.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
 মুছাপুর রেগুলেটর না থাকায় এখন নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছেনা: বন ও পরিবেশ মন্ত্রী | দৈনিক উপকূল বার্তা
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্ব. নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংয়ের মারধরে ব্যবসায়ীর মৃত্যু নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে ৩৭৯৮ পিস ইয়াবাসহ আন্তঃজেলা মাদক পাচারকারী চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ও র‍্যাব-১১ এর যৌথ দল। হাতিয়ায় পুকুরে ডুবে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু : হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধিঃ অগ্রণী ব্যাংকের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন  ঈদের আগেই বাড়ছে ফেরি, হাতিয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের আভাস নোয়াখালীতে মাদরাসা থেকে ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার নোয়াখালীতে চলন্ত বাস থেকে পড়ে হেলপারের মৃত্যু নোয়াখালীতে ১৩৩০ লিটার চোরাই ডিজেলসহ গ্রেপ্তার-২ নোয়াখালীতে ডিএনসির অভিযান: ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৫ নোয়াখালীতে অনিয়মের মাধ্যমে খাল ও ফসলি জমির মাটি কেটে আলেকজান্ডার-সোনাপুর-মান্নান নগর সড়কের পাশ প্রশস্ত করণের কাজ চলছে,

 মুছাপুর রেগুলেটর না থাকায় এখন নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছেনা: বন ও পরিবেশ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
  • ৩২ বার

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, মুছাপুর রেগুলেটর না থাকায় এখন নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছেনা। নদীর দুই দিকেই ভাঙছে।  ভবিষ্যতে একনেক কমিটিতে মুছাপুর রেগুলেটর প্রকল্প পাস হবে। এরপর মুছাপুর রেগুলেটর ও মুছাপুর ক্লোজারের কাজ শুরু হবে।
মঙ্গলবার (১০মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জে প্রস্তাবিত মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদীর অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং নিস্কাশন ব্যবস্থানর উন্নয়ন (অংশ-১) প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন কর্মসূচিতে এসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, পানিসম্পদমন্ত্রীর সাথে আমি স্থানীয় এমপিসহ কথা বলেছি। আমরা তাকে আমাদের সমস্যার কথা অবহিত করি। তিনি বলেছেন, মুছাপুর রেগুলেটর প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে তিনি ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। আপনারা ভবিষ্যতে দেখতে পাবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন,মুছাপুর রেগুলেটর শুধু মুছাপুরের সমস্যা না, এটা পুরো নোয়াখালীর সমস্যা। প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ বেঁচে আছে।
এ্যানি আরও বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি। তিনি বিষয়টি অবহিত আছেন। মুছাপুর রেগুলেটর সরজমিনে পরিদর্শন করে আমাকে প্রধানমন্ত্রীকে রিপোর্ট করতে বলেছেন। এক কৃষকের প্রশ্নের জবাবে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, নোয়াখালীকে বাঁচাতে, নোয়াখালীর মানুষকে বাঁচাতে হবে। মুছাপুর রেগুলেটর নোয়াখালী মানুষের জীবন মরণ সমস্যা
এ সময় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী ৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো.এনায়েত উল্যাহ, ঢাকা বাপাউবো (পূর্ব রিজিয়ন) অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো.মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো.আবু বক্কর সিদ্দিক, ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের সার্কেল তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ, নোয়াখালী পুলিশ পুলিশ সুপার টি, এম মোশারেফ হোসেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল প্রমূখ। এতে সভাপতিত্ব করেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সদস্য নুরুল আলম সিকদার।
উল্লেখ্য,
২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট প্রবল বর্ষণ ও উজানের ঢলে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুরে অবস্থিত ২৩ ভেন্টের রেগুলেটরটি ভেঙে যায়। এর ফলে কোম্পানীগঞ্জ, ফেনীর সোনাগাজী ও দাগনভূঁইয়া উপজেলায় ব্যাপক নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।
ভাঙন প্রতিরোধ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে ওই স্থানে নতুন একটি আধুনিক রেগুলেটর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ৮৯৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি বড় প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পেলেই দ্রুত প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে বলে জানা গেছে।
প্রাক্কলিত ব্যয়ে চলতি মাস থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
২০০৫ সালে কোম্পানীগঞ্জ উপকূলে নদীভাঙন ও পানি নিষ্কাশন সমস্যা সমাধানে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ‘নতুন ডাকাতিয়া ও পুরাতন ডাকাতিয়া-ছোট ফেনী নদীর পানি নিষ্কাশন প্রকল্প’ গ্রহণ করা হয়। প্রায় ১৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ২৩ ভেন্টের মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণ করা হয়, যার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। রেগুলেটরটির পানি নিষ্কাশন ক্ষমতা প্রতি সেকেন্ডে ৭৫৬.১৫ ঘনমিটার। স্থানীয়রা আশা করছেন, নতুন রেগুলেটর নির্মাণ হলে কোম্পানীগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার নদীভাঙন, বন্যা ও জলাবদ্ধতা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

আর্কাইভ

March ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Feb   Apr »
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© 2023, All rights reserved.
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট