লেখক মোর্শেদা আক্তার সুমি
বাংলাদেশ মানুষ আবেগ প্রবাল মানুষ, আবার শক্তিশালী মনের অধিকারী। সঠিক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ভূল করে নাই।
বাংলাদেশের ইতিহাস সংস্কৃতি বলতে যা বুঝায়, তার সব ক্ষেত্রে বাঙালি জাতি কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে লড়াই
সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে অর্জন করেছে। আমরা জাতি হিসেবে গৌরব করতে পারি। আমরা সংগ্রামী বিপ্লবী সাহসী বীর মানুষ হিসেবে পরিচিত।
রাজনৈতিক যাঁতাকল কলে শিক্ষক , ছাত্র পেশাজীবি , বুদ্ধিজীবি শ্রেণীর মানুষের মধ্যে বিভক্তি বৈষম্য বৃদ্ধির কারণে
সুশীল সমাজ ও বুদ্ধিজীবি শ্রেণীর মানুষ দেখি না। রাজনৈতিক বিভক্তি অনিশ্চয়তার সূত্রে বুদ্ধিজীবি শ্রেণীর মানুষ নীরবতা পালন করছে। এটা রাষ্ট্রের জন্য বা আমাদের জাতি হিসেবে চড়ম দুর্যোগ। রাজনীতিবিদ আবার বুদ্ধিজীবি শ্রেণীর মানুষ পছন্দ করে না। এটার জন্য হয়তো অনেক জ্ঞানী গুনীজনরা নীরবতা পালন করছে।
দেশের সকল সংস্থা বা প্রতিষ্টানে মানুষের মধ্যে আদর্শিক বিভক্তি বৈষম্য তৈরি হওয়ার কারণে আমরা রাষ্ট্রের কঠিন বাস্তবতায় তাদের ভূমিকা পালন করতে দেখি না।
বাংলাদেশ জনগণ দেশ কোন রাজনৈতিক দল কে ইজারা দেয় নাই। যে তাদের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করতে সাধারণ মানুষ দায়িত্ব নিতে হবে। পলিটিক্যাল কূট কৌশল অবলম্বন করে
রাষ্টিয় ক্ষমতা ভোগ করবে রাজনৈতিক দল। সেটা তাদের গনতান্ত্রিক অধিকার।
নির্বাচন কমিশন ভূল ত্রুটির জন্য কিছু লোক জন রয়েছে ।
অর্থাৎ ঐ সংস্থা যাতে তাদের আইন অনুযায়ী কার্যক্রম চালাতে না পারে। তাতে তৃতীয় শক্তির কদর বারে। এটা মজা করার সুযোগ সৃষ্টি করার কাজ হলো তাদের।
সুশীল সমাজ জাতির উদ্দেশ্য কিছু মতামত দিলে অনেক বিষয় পরিস্থিতি অনুকূলে রাখার সুযোগ হতো। কিন্তু আমরা এদের কে হারিয়ে ফেলছি।
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলে , সকল রাজনৈতিক দলের অংশের গ্রহনের মধ্যে একটা সুন্দর ও সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আমারা আত্মতুষ্ট হতে পারতাম।
২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ গতকাল নেতাকর্মী সমর্থকদের চাপে ওবায়দুল কাদের তিন বার চেষ্টা করে ও অফিসে ডুকতে পারে নাই। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি চলছে। তারা আনন্দ মিছিল করছে মিষ্টি বিতরণ করছে। মহা খুশি তাদের দলের নেতাকর্মী।
আর নয়া পল্টন বি এন পি অফিস তালাবদ্ধ। সামনের বাতিও জ্বলছে না। কোন নেতাকর্মী সমর্থকদের লক্ষ্য করা গেল না।
ঠিক আওয়ামী লীগ অফিসের বিপরীত চিত্র। রেজভী সাহেব হেরা পর্বত থেকে মাথা ডেকে ভার্চুয়াল ভিডিও পাঠায়। আর মিডিয়া প্রচার করে এই হলো বি এন পির রাজনৈতিক দলের শক্তির পরিচয়। এখন বি এন পি সহ তাদের সমমনা দল গুলো নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে । যাহার কারণে
নতুন ভোটারের অংশগ্রহণে উজ্জীবিত তরণ তরুণী ভোট দেওয়ার সুযোগ সবাই পাবে না। তাদের জন্য কষ্ট হয়েছে।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ হতে পারে। সেই সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে নতুন ভোটারে
ক্ষেত্রে। ( বি এন পি) সহ সমমনা দলের জন্য এই বার্তা দিয়ে শেষ করছি
ধন্যবাদ
২০.১১.২৩ লেখক মোর্শেদা আক্তার সুমি।