1. news@dailyupokulbarta.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
সেনবাগ থানার আলোচিত স্বামী কর্তৃত্ব,  স্ত্রী, মেয়ে ও শাশুড়ীকে  দা দিয়ে কোপাইয়া আহত করা  মামলার অগ্রগতি। | দৈনিক উপকূল বার্তা
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি সিলেকশন বিএনপি যেভাবে করতেছে এবার, তা এপ্রিশিয়েবল। কয়েকটি স্তরে ফিল্টারে ত্যাগী এবং দলের জন্য ডেডিকেটেড, জেনুইন পলিটিক্যাল কর্মীদের ছেঁকে আলাদা করা হচ্ছে নোয়াখালীতে ১৪০০ লিটার অবৈধ ডিজেলসহ গ্রেপ্তার ৪ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হতে বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন নোয়াখালীর ৫ নেত্রী। নোয়াখালীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ২২শত লিটার তেল লুটের অভিযোগ নোয়াখালীতে স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা মামলার রায় পেছাল বসত বাড়িতে লুকিয়ে রাখা হলো ১২শত লিটার পেট্রোল, গ্রেপ্তার-৩ বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বাণী দিয়েছেন: নোবিপ্রবি রিজেন্ট বোর্ডের সভা স্থগিতের দাবিতে সাদা দলের বিবৃতি   নোয়াখালীতে ৩ হাজার লিটার অবৈধ ডিজেল জব্দ, জরিমানা তালাকের জেরে খুন,অতঃপর ঢাকার দোহার থানার প্রবাসী মলি আক্তার হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. ইসমাইল হোসেনকে (৩৫) নোয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১১।

সেনবাগ থানার আলোচিত স্বামী কর্তৃত্ব,  স্ত্রী, মেয়ে ও শাশুড়ীকে  দা দিয়ে কোপাইয়া আহত করা  মামলার অগ্রগতি।

নোয়াখালী প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ২৪৭ বার

 

 

ঘটনার বিবরণঃ— গত ১৬/০২/২০২৪ইং তারিখ সেনবাগ থানাধীন ৫নং অজুর্নতলা ইউনিয়নের অন্তর্গত ইদিলপুর গ্রামের জনৈক ফাতেমার নতুন বাড়ী, বিগত ২২ বছর পূর্বে ১নং আসামী আমির হোসেন (৪৫) এর সাথে ফাতেমা খাতুন (৩৮) এর বিবাহ হয়। বিবাহের পর দাম্পত্য জীবনে ২ ছেলে এবং ১ মেয়ে জন্ম গ্রহন করে। সংসারে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ০১নং আসামী আমির হোসেন প্রায়ই ফাতেমাকে মারধর করিত। ১নং আসামী আমির হোসেন এর অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে প্রায় ৬/৭ বছর পূর্বে ফাতেমা তার সন্তানদের নিয়ে ফাতেমার পিতার বাড়ীর পশ্চিম পাশে^র্ জমিতে বাড়ী নির্মান করিয়া বসবাস করিতেছে। এর পর থেকে এজাহার নামীয় ১নং আসামী মোঃ আমির হোসেন ও ২নং আসামী বেলাল হোসেনদ্বয় ফাতেমাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করিয়া আসিতেছিল। অনুমান ২ বছর পূর্বে ১নং আসামী আমির হোসেন অন্যত্র বিয়ে করলে ফাতেমা পারিবারিক ভাবে আসামীদ্বয়ের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় এবং ফাতেমার বাড়ীতে আসতে নিষেধ করে। তারই ধারাবাহিকতায় আসামীদ্বয় ক্ষিপ্ত হইয়া ১৬ ফেব্রুয়ারি ভোর  ৫ টায় আসামীদ্বয় ও তাহাদের সাথে অজ্ঞাতনামা আসামীগন সহ হাতে দা, লাঠি সহ ফাতেমার বাড়ীতে আসিয়া উঠানে হাঁস, মুরগির খোয়ার ও ঘরের টিনের বেড়া এলোপাতাড়ি ভাবে কোপাইয়া ভাংচুর করিতে থাকিলে শব্দ পাইয়া ফাতেমা ঘরের দরজা খোলার সাথে সাথে আসামীদ্বয় ঘরে ঢুকে পরে। ১নং আসামী আমির হোসেনের হাতে থাকা ধারালো দা দিয়া হত্যার উদ্দেশ্যে ফাতেমাকে কোপাইতে থাকে। ফাতেমাকে রক্ষা করিতে ফাতেমার মেয়ে রাবেয়া (১৮) ও মা মাফিয়া খাতুন (৫৫) আগাইয়া আসিলে তাদেরকেও এলোপাতারি ভাবে কোপাইয়া গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। ২নং আসামী তার হাতে থাকা লাঠি দিয়া আঘাত করে। ঘটনার সময় মেয়ে রাবেয়া ও মা মাফিয়া খাতুনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন আগাইয়া আসিতে থাকিলে আসামীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। ফাতেমার ভাই মামলার বাদী আমিরুল ইসলাম সহ ঘটনাস্থলে আসা লোকজন গুরুতর আহত ফাতেমা, রাবেয়া ও মাফিয়া খাতুনকে উদ্ধার পূর্বক চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল নোয়াখালীতে নিয়া যায়। কর্তব্যরত ডাক্তার ফাতেমা ও মাফিয়া খাতুনকে উন্নতর চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করেন। মেয়ে রাবেয়াকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল নোয়াখালীতে ভর্তি করে।

উক্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মোঃ আমিরুল ইসলাম বাদী হইয়া অভিযোগ দায়ের করিলে সেনবাগ থানার মামলা নং—০৮. তারিখ—১৬/০২/২০২৪খ্রিঃ, ধারা— ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৫০৬/৪২৭/১০৯ পেনাল কোড রুজু হয়।

মাননীয় পুলিশ সুপার, নোয়াখালী জনাব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, বিপিএম, পিপিএম মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায়, বেগমগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব নাজমুল হাসান রাজীব, পিপিএম এর তত্ত্বাবধানে, অফিসার ইনচার্জ সেনবাগ থানার নেতৃত্বে মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ ওমর ফারুক মিঞা সঙ্গীয় ফোর্সসহ তৎক্ষণিক ভাবে এজাহার নামীয় ০২নং আসামী মোঃ বেলাল (৪৮), পিতা— মৃত সফি উল্যাহ, সাং— অম্বরনগর,থানা—সোনাইমুড়ী, জেলা—নোয়াখালীকে ১৭ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। এজাহার নামীয় ০১নং আসামীকে গুপ্ত চরের মাধ্যমে লক্ষীপুর, ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলা ও শহরের বিভিন্ন এলাকায় গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত ছিল।
পরবতীর্তে ২১ ফেব্রুয়ারি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এজাহার নামীয় ০১নং আসামী মোঃ আমির হোসেন এর অবস্থান নিশ্চিত হইয়া মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ ওমর ফারুক মিঞা সঙ্গীয় অফিসার এএসআই (নিরস্ত্র) মোঃ আশরাফুল ইসলাম দিপু ও ফোর্সসহ চট্টগ্রাম শহরের বাকলিয়া থানাধীন চাক্তাই এলাকার হোটেল আল—সিরাজ এর সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয় এবং আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানায় উক্ত হোটেলের ২য় তলায় রক্ষিত আসামীর ব্যবহৃত ব্যাগের ভিতর কাপড় দিয়া মোড়ানো ধারালো দা ও ছুরি উদ্ধার পূর্বক জব্দতালিকা মূলে জব্দ করে। অদ্য ২২/০২/২০২৪ ইং তারিখ বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

আর্কাইভ

February ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jan   Mar »
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
© 2023, All rights reserved.
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট