যৌবনের ২১ পেরিয়ে ২২ তম বর্ষে শুভ সূচনা শুরু করেছে বৃহত্তর নোয়াখালীর গণমানুষের কন্ঠস্বর “দৈনিক সচিত্র নোয়াখালী”। ২০০৩ সালের ২০ অক্টোবর নোয়াখালীর সাংবাদিকতার তৎকালীন কিংবদন্তি শ্রদ্ধেয় আমিরুল ইসলাম হারুনের প্রকাশনা ও সম্পাদনায় যাত্রা শুরু করে পত্রিকাটি। যাত্রা শুরুর পর থেকে এক ঝাঁক মেধাবী ও যোগ্যতা সম্পূন্ন সাংবাদিকের লেখনিতে দৈনিক সচিত্র নোয়াখালীর পাতায় স্থান পায় বৃহত্তর নোয়াখালীসহ জাতীয় পর্যায়ের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি, সমস্যা ও সম্ভাবনার চিত্র। যার কারণে খুব অল্প সময়ের মধ্যে পত্রিকাটি হয়ে ওঠে বৃহত্তর নোয়াখালীর গণমানুষের কন্ঠস্বর। ২০০৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারী নোয়াখালী প্রেসক্লাবের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মরহুম বেলাল উদ্দিন কিরন এবং দৈনিক নোয়াখালী বার্তার সম্পাদক মরহুম আবদুল কাদের সাহেবের সহযোগিতায় আমি দৈনিক সচিত্র নোয়াখালী পত্রিকায় কাজ শুরু করি। ওইদিন থেকেই আমার সাংবাদিকতা শুরু। ২০০৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারী দৈনিক সচিত্র নোয়াখালী পত্রিকার শেষ পৃষ্ঠায় ” চরউরিয়ায় বিয়ের আসর থেকে কনে পলাতক” শিরোনামে আমার প্রথম সংবাদ ছাপা হয়। আমার সাংবাদিকতার শুরু থেকে দৈনিক সচিত্র নোয়াখালী’র সম্পাদক আমিরুল ইসলাম হারুন কখনো একজন শিক্ষক, কখনো একজন অভিভাবক, আবার কখনো একজন সহকর্মী হিসেবে আমাকে হাতে-কলমে সংবাদের তথ্য সংগ্রহ, সংবাদ লেখা ও সংবাদ উপস্থাপন করার মতো বিষয়গুলো শিখিয়েছেন। কোন সংবাদ লেখা অথবা উপস্থাপনে ভুল হলে কড়া নজরে শাসন করতেন। দৈনিক সচিত্র নোয়াখালীতে আমি ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি হিসেবে কাজ শুরু করে পর্যায়ক্রমে স্টাফ রিপোর্টার, বিশেষ প্রতিনিধি এবং বর্তমানে বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছি। দীর্ঘ ১৫ বছরের সাংবাদিকতায় স্থানীয় একাধিক পত্রিকার সম্পাদক তাদের পত্রিকায় ভালো সুযোগ-সুবিধায় কাজ করার প্রস্তাব দিলেও এক মুহূর্তের জন্যেও দৈনিক সচিত্র নোয়াখালী’কে ছেড়ে যায়নি। কারণ পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশনায় প্রায় প্রত্যেক সংখ্যায় বৃহত্তর নোয়াখালীসহ জাতীয় পর্যায়ের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি, সমস্যা ও সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরেন। এসব সংবাদের বেশিরভাগই থাকে আমার। এক কথায় আমার মতো ক্ষুদ্র সংবাদ কর্মীকে মানুষের কাছে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয় সচিত্র নোয়াখালী। ২০১১-১২ সালের দিকে দৈনিক সচিত্র নোয়াখালী পত্রিকাটি যখন ব্যাপক পাঠক প্রিয়তা কুড়িয়ে নেয় তখন পত্রিকা সপ্তাহে ৭দিনই প্রকাশ হতো। তখন কখনো কখনো প্রথম সংস্করণের পাশাপাশি দ্বিতীয় সংস্করণও প্রকাশ হতো। তখন পত্রিকার রমরমা অবস্থা দেখে কিছু স্থানীয় পত্রিকা সম্পাদক দৈনিক সচিত্র নোয়াখালীর সম্পাদক আমিরুল ইসলাম হারুন ও আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে। তবে বাস্তবতা হলো, যত বারই আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে, তত বারই আমরা তথা দৈনিক সচিত্র নোয়াখালী পাঠক, বিজ্ঞাপন দাতা, নোয়াখালীর পেশাদার সাংবাদিক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগীতায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে।