চট্টগ্রাম বন্দর নগরীর বানিজ্যিক ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হযরত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’সহ বিভিন্ন শিল্প এলাকা নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম-১১ (২৮৮ আসন) থেকে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।১৯৪৯ সালের (১০ নবেম্বর) চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন কাট্টলী এলাকায় একটি মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারের জন্ম গ্রহণ করেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি ১৯৬৯ সালে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। তারপর যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে হিসাব বিজ্ঞানে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে তার পিতার ব্যবসায় যুক্ত হোন ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা করেন এবং ওই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি চট্টগ্রাম চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক সভাপতি ও দক্ষিণ এশিয়া এক্সচেঞ্জ ফেডারেশনের প্রথম সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া আমীর খসরু চট্টগ্রামে দক্ষিণ কোরিয়া অনারারি কনসাল,
সোনালী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান,জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও বাংলাদেশ শিল্প বিভাগের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।তিনি ১৯৯১ সালে চট্টগ্রাম-৮আসন থেকে বেগম খালেদাজিয়া বিজয়ী হওয়ার পর আসনটি ছেড়ে দিলে উপনির্বাচনে প্রথমবারের মত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি’র) মনোনয়নে ধানের শীষ প্রতীকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হোন। ২০০১ সালে তার নিজ দল বিএনপি সরকার গঠন করলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২৫ মার্চ ২০০৪ পর্যন্ত মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন । বর্তমানে তিনি বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ‘স্থায়ী কমিটি’র সদস্য ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার পিতার নাম আলহাজ্ব মাহমুদুন্নবী চৌধুরী ও মাতার নাম মেহেরুন্নেসা বেগম চৌধুরী। তার পিতা মাহমুদুন্নবী চৌধুরী ১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তানের আইনপরিষদ নির্বাচনে ডবলমুরিং-সীতাকুন্ড আসন থেকে জয়লাভ করেন এবং যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠন করলে তিনি প্রথমে গণযোগাযোগ মন্ত্রী ও পরে ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীত্ব লাভ করেন।
আমীর খসরুর দাদার নাম খাদেম আলী চৌধুরী এবং দাদির নাম আলফুন নেছা। সর্বশেষ তিনি (আমীর খসরু মাহমুদ) চৌধুরী (২৭ ডিসেম্বর) শনিবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীদল (বিএনপি’র) ধানের শীষ প্রতীকে চূড়ান্ত মনোনয়নে মনোনীত হোন চট্টগ্রাম পতেঙ্গা ১১ আসনে।