গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার সদরে মুকসুদপুর পাইলট বালক উচ্চ বিদ্যালয় এর এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী অনন্যা জানান তাহাকে তাহার স্কুলের হেডমাস্টার অমৃত লাল মজুমদার দুই দিন আগে একটি এডমিট কার্ড অর্থাৎ প্রবেশপত্র দিয়েছিল প্রবেশপত্রটি নিয়ে সে আজ যখন পরীক্ষা দিতে কেন্দ্রে যায় তখন পরীক্ষার কেন্দ্রের কোন এক শিক্ষক তার প্রবেশপত্রটি জাল বলিয়া গণ্য করেন এবং ওই শিক্ষার্থী অনন্যা কে পরীক্ষা দিতে নিষেধ করেন তিনি বলেন তোমার ফর্ম ফিলাপ করা হয়নি ততক্ষণিক ভাবে পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বে যারা রয়েছেন তারা পাইলট স্কুলের শিক্ষক বিপুল এবং পলাশ মাস্টারকে ডেকে পাঠায় অনন্যা তাহাদের ছাত্রী এটা নিশ্চিত করেন। এবং বিপুল মাস্টার সঙ্গে সঙ্গেই তাহার স্কুলের হেডমাস্টার অমৃত লাল মজুমদারকে ফোন করেন। অমৃত লাল মজুমদার ফোনে বিপুল মাস্টারের সঙ্গে কোন কথা না বলেই ফোনের লাইনটি কেটে দেন এ ব্যাপারে পরীক্ষা কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাহাকে আইনের সাহায্য নেওয়ার জন্য পাঠিয়ে দেন । অনন্যা জানান মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা বিষয়টি অবগত আছেন। হতদরিদ্র এই শিক্ষার্থী অনন্যা তাহার এই একটি বছর লেখাপড়ার যে ক্ষতিকরা হলো এ বিষয়ে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অনন্যা স্কুল কর্তৃপক্ষের নিকট বিচার দাবি করেন এবং ভবিষ্যতে এই পর্যায়ে কোন ন্যাক্কারজনক ঘটনা যাহাতে আর না ঘটে সেদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সজাগ থাকতে বলেন মুকসুদপুর পাইলট বালক উচ্চ বিদ্যালয় এর মত একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে যদি এই প্রকারের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে তাহলে এটা এলাকাবাসী এবং সকল ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবক দের নিকট একটি নিন্দনীয় বিষয়।