নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ নিয়ে সরকার গঠন করতে পারলোও এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি বিএনপি
ভোট ক্যালকুলেশনে নিজেদের অনেক ভোট গুপ্ত হয়ে বাটখারা হিসেবে পাল্লায় বিক্রি হয়েছে ।
#যদিও কথিত আছে পতিত সরকার দলের অনেক ভোট ধানের শীষের হাওয়ায় মিশেছে। তবে তা একেবারে ফেলে দেওয়ার মত নয়। সমীকরণের স্বার্থে পতিত সরকারের দেওয়া ভোটের পার্সেন্টেজ বাদ দিলে মোট আমাদের বিএনপি’র ভোটের পারসেন্টেজ কত?
মনে হয় আমাদের ফলাফল গুড়েবালি হওয়ার মত। তারমানে অভিমানি ভোট যেগুলো গুপ্ত হয়ে দাঁড়িপাল্লায় ভার সৃষ্টি করেছে তা হওয়ার কারন কি? অচিরেই ইউনিয়ন, পৌর সভায়, সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ডের দায়িত্বশীলদের নিয়ে বিশ্লেষণ করা হোক।তবে লোক মুখে কথিত রয়েছে সারাদেশে ৫ আগষ্টের পরে স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মীদের ভুমিকায় অভিমানী ভোটের সংখ্যা বেড়েছে। অনেক দায়িত্বশীল নেতারা জান্নাতের টিকিটের বিরোধিতা করলেও, উনাদের ঘরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীরা(বিবি সাহেবেরা ) কিন্তু টিকিটের লোভে নিজেকে সামলাতে পারে নি। এগুলোর বিশ্লেষণ করে পদক্ষেপ না নিলে আগামীর স্থানীয় নির্বাচন এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভরাডুবির সম্ভাবনা রয়েছে।