আমরা জানি বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়া এক জনগোষ্ঠী হচ্ছে শিখন্ডী, সাইয়া যা প্রচলিত নাম হিজড়া। হিজড়া বলতে আমরা বুঝি,না নারী না পুরুষ কিন্তু বর্তমানে বোঝা মুশকিল আসলে হিজড়া কাদেরকে বলব? বিবাহিত জীবন ছেলে মেয়ের বাবা অথচ মেয়েদের পোশাক ধারণ করে চাঁদাবাজি এবং বাড়িতে বাড়িতে নবজাতক শিশু হলে তাদের ইচ্ছার বাইরে জোরপূর্বক টাকা আদায় করা তারা কি হিজড়া?নাকি দিনে ছেলে মানুষ সন্ধ্যা নামতেই গালে মেকআপ মাথায় আলগা চুল মেয়েদের পোশাক ধারণ করে ছিনতাই,চুরি, ব্ল্যাকমেইল করে এক শ্রেণীর মানুষ তারা কি হিজড়া? বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়াতে আলোচিত বিষয়বস্তু হচ্ছে আমরা যাদেরকে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী বলে আখ্যায়িত করে থাকি তাদেরকে নিয়েই কিন্তু আমাদের আইনি ব্যবস্থা থেকে এর কোন সুস্থ্য সুরাহা এখন পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে না।অস্বস্তিকর এই হিজড়া ভেজদারি চক্রের হাত থেকে মুক্তি চায় এই সমাজের মানুষ তার একটি উদাহরণ স্বরূপ রাজধানীর বেশির ভাগ বাসা বাড়িতে গিয়ে জোরপূর্বক মারধর করে ডাকাতদের মত টাকা পয়সা নিয়ে আসে ঘরের মধ্যে আটকে রেখে। উল্লেখিত যাত্রাবাড়ী ও কদমতলী থানার এরিয়ায় বসবাসরত জনসাধারণের প্রতিনিয়ত বিভ্রান্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে।এর ধারাবাহিকতায় একাধিক নিউজ হয়েছে পত্রিকায়। এই দুই থানার এরিয়াতে ভ্যাসধারি হিজড়া চক্রের সেল্টার দিচ্ছে আলমগীর হোসেন রিনা হিজড়া, দলের ছদ্মবেশ নিয়ে হিজড়া সেজে আছে মামুন ( মিথিলা) মানিক ( মনিকা) হৃদয় ( জেসমিন) ওমর ফারুক ( মাধুরী) ও নাম না জানা আরো অনেকেই এরা আসলেই ছেলে মানুষ এবং হয়তো এদের মধ্যে দুই একজন সার্জারি করতে পারে। এখন প্রশ্ন হল হিজড়াদের কাজ হচ্ছে দিনের বেলায় এরা রাতের আঁধারে কি করে কি কাজ এদের রাতের বেলায় প্রশাসনের উদ্ধত্বন কর্মকর্তার কাছে জোর দাবি এদের দিকে একটু নজর দিয়ে এই চাঁদাবাজি ছিনতাই বন্ধ করেন। সাধারণ জনগণ এদের কাছ থেকে মুক্তি চায় স্বস্তিতে চলাফেরা করতে চায় রাস্তাঘাটে ।
