মুছাপুর ব্রিজ
নোয়াখালী গ্রামের রাস্তা ঘাট চলাচল অস্বাভাবিক ভোগান্তি চরমে।
হঠাৎ করে ভারত আমাদের উপর আকস্মিক ভাবে ছেড়ে দেয় পানি তলিয়ে যায় ফেনী,নোয়াখালী, লক্ষীপুর, কুমিল্লা জেলার কিছু অংশ। সবচেয়ে বেশি,ক্ষতিগ্রস্ত জেলা নোয়াখালী এবং ফেনী। সেই পানিতে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় নোয়াখালীর ৮টি উপজেলায় প্রায় ২২ লক্ষ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ে। বর্তমানে গ্রামের পানি আস্তে আস্তে নামতে শুরু করেছে। বেরিয়ে আসছে গ্রামীণ রাস্তাঘাট ধ্বংসের ভয়াবহ দৃশ্য । স্থানীয় মানুষেরা দাবি করছেন বন্যার এরূপ ক্ষয়ক্ষতির দৃশ্য এর আগে তারা কখনো দেখেনি। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির আশঙ্কায় আছেন কৃষকেরা।তাঁরা জানিয়েছেন বন্যা পরবর্তী রাস্তার এমন বেহাল দশা থাকলে বাহির থেকে কোনো ব্যাপারি আসতে চাইবে না। আর তারা না আসলে উৎপাদিত কৃষি পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবেননা। স্থানীয় সরকার বিভাগের সদর উপজেলা প্রকৌশলী আবুল মনছুর আহমেদ জানান,উপজেলার ২১০ কিঃমিঃ পাকা সড়ক ও ৩০০ মিটার কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।যার আনুমানিক আর্থিক মূল্য ১৫০ কোটি টাকা।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৮টি উপজেলায় ১৫০০ কিঃমিঃ গ্রামীন পাকা সড়ক ও ১১৮টি ব্রীজ কালভার্ট মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবমিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নোয়াখালীতে ৯০০ কোটি টাকা। বন্যায় গ্রামীণ অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতিতে মানুষের বিড়ম্বনার কথা জানতে জেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগে তিনি জানান,এখনো বেশকিছু এলাকায় পানি না নামায় ক্ষয়ক্ষতির চুড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত হয়নি।তবে আমরা জরুরিভাবে এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য উল্লেখ করে সরকারের উঁচু পর্যায়ে লিখিতভাবে জানিয়েছি।আশাকরি সহসাই এর একটা সমাধান আসবে।মানুষের বিড়ম্বনা এবং কৃষকের পণ্য পরিবহনের জন্য জরুরি মেরামতের বিষয়টি আমাদের ভাবনায় রয়েছে বলে জানান তিনি