নোয়াখালীর নামে একমাত্র ইউনিয়ন নোয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের আধুনিকায়ন পতাকা ভাষ্কর্য ও দরবার হলের উদ্বোধন করেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেওয়ান মাহবুবুর রহমান।
সোমবার (১৯ ফেব্রু) দুপুরে সদর উপজেলার নোয়াখালী ইউপি কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন তিনি।
নোয়াখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাওলানা ইয়াছিন আরাফাতের সভাপতিত্বে এ সময় সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার
আখি নুরজাহান নিলা, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সহধর্মিণী তাজনাহার ওয়াদুদ কাজল, ইউপি সচিব সহিদুল ইসলাম সহিদ,ইউনিয়নের নির্বাচিত সকল প্রতিনিধি, সুশিল সমাজ, সাংবাদিক ও স্থানীয়রা অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
এসময় এক আলোচনা সভায় ইউনিয়ন পরিষদকে মডেল ইউনিয়ন পরিষদ ঘোষনা করে প্রধান অতিথি বলেন, আমি মনে করি নোয়াখালী ইউনিয়নের মানুষ একজন সুযোগ্য অভিভাবক পেয়েছে। তিনি একাধারে একজন আলেম আর জনবান্ধন চেয়ারম্যান। যিনি চেয়ারম্যান হওয়ার পর পুরো পরিষদের চেহারাই পাল্টে দিয়েছেন। নোয়াখালীর নামের এই ইউনিয়ন যেটি দীর্ঘদিন থেকে অবহেলিত ছিল। এই ইউনিয়ন থেকে নোয়াখালীর গোড়াপত্তন সারা পৃথিবীর মানুষ নোয়াখালীকে চিনে জানে। এখানে আগে পুরাতন শহর ছিল। এটির অনেক ইতিহাস রয়েছে। আমি স্থানীয় সরকার সচিব কে বলব এই ইউনিয়নটি এসে দেখে যাওয়ার জন্য। উনার এটি দেখা উচিত। এটা সম্পর্কে জানা উচিত। এটি না দেখলে বাংলাদেশের ইউনিয়ন গুলি যে স্মার্ট হবে কিভাবে জানবেন স্মার্ট ইউনিয়নের এটি যে তার নমুনা। আপনারা জানেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই নির্বাচনের আগে ঘোষণা দিয়েছেন আগামী দিনের বাংলাদেশ হবে স্মার্ট বাংলাদেশ । এই লক্ষ্যে তিনি কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। এবং প্রত্যেকটা জেলা প্রশাসককে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন তোমরা প্রতিটি জেলার জন্য কিছু কর্মসূচি নির্ধারণ করো। আমরাও সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা যতটুকু সম্ভব সহযোগীতা করেছি এই ইউনিয়নটিকে আরো করবো। চেয়ারম্যান মাঃ ইয়াছিন সাহেব সহ উদ্যোগে নিজস্ব অর্থায়নের এটির মনমুগ্ধকর উন্নয়ন করেছেন। আগে এখানে পরিষদের যে পরিবেশ ছিল এখানে মানুষ আসলে অসুস্থ হয়ে পড়তো। আর আজকের এখানের পরিবেশ দেখে মনে হচ্ছে মানুষ আসলে এখানে সুস্থ হয়ে উঠবে । এর যে পরিবেশ একজন জনপ্রতিনিধির জনগনের উন্নয়নে যে কাজ তিনি তার একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আমরা প্রশাসন উনার পাশে আছি, থাকবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন ভোটের প্রতি মানুষের যে অনাগ্রহ, প্রার্থীদের প্রতি অনাস্থা এটি আমরা দূর করতে চাই। ভোট মানুষ দিতে চায়, সঠিক ব্যক্তিকে নির্বাচিত করতে চায়। তাই মানুষ যেন ভোট দিতে পারে একটা সুস্থ নির্বাচন আমরা উপহার দিয়েছি। মানুষ যাকে ভোট দিতে চেয়েছে তাকে ভোট দিতে পেরেছে এবং জনগণ ভেবেচিন্তে সঠিক ব্যক্তিকে নির্বাচিত করেছেন তাই তারা এর সুফল পাচ্ছেন। আপনাদের এই চেয়ারম্যানের মত সারা বাংলাদেশের প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান যদি একটু আন্তরিক হয় তাহলে আগামীর বাংলাদেশ স্মার্ট বাংলাদেশ হওয়া সম্ভব। আমরা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এ দেশকে আরো উন্নতির পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই। তাই আমাদের সকলকে উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যেতে হবে।
এর আগে তিনি ইউনিয়ন পরিষদের আধুনিকায়ন,পতাকা ভাষ্কর্য ও দরবার হলে ঘুরে দেখেন এবং দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে এর শুভ উদ্বোধন করেন।