1. news@dailyupokulbarta.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ- ‌শীতলপাটি জিআই নিবন্ধন কার? বিসিক না’ বঙ্গবন্ধু পুরস্কার! | দৈনিক উপকূল বার্তা
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি সিলেকশন বিএনপি যেভাবে করতেছে এবার, তা এপ্রিশিয়েবল। কয়েকটি স্তরে ফিল্টারে ত্যাগী এবং দলের জন্য ডেডিকেটেড, জেনুইন পলিটিক্যাল কর্মীদের ছেঁকে আলাদা করা হচ্ছে নোয়াখালীতে ১৪০০ লিটার অবৈধ ডিজেলসহ গ্রেপ্তার ৪ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হতে বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন নোয়াখালীর ৫ নেত্রী। নোয়াখালীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ২২শত লিটার তেল লুটের অভিযোগ নোয়াখালীতে স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা মামলার রায় পেছাল বসত বাড়িতে লুকিয়ে রাখা হলো ১২শত লিটার পেট্রোল, গ্রেপ্তার-৩ বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বাণী দিয়েছেন: নোবিপ্রবি রিজেন্ট বোর্ডের সভা স্থগিতের দাবিতে সাদা দলের বিবৃতি   নোয়াখালীতে ৩ হাজার লিটার অবৈধ ডিজেল জব্দ, জরিমানা তালাকের জেরে খুন,অতঃপর ঢাকার দোহার থানার প্রবাসী মলি আক্তার হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. ইসমাইল হোসেনকে (৩৫) নোয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১১।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ- ‌শীতলপাটি জিআই নিবন্ধন কার? বিসিক না’ বঙ্গবন্ধু পুরস্কার!

মোঃ আবুল কালাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ২৫৫ বার

১৯৯৭ সালে শীতলপাটি কর্মে বঙ্গবন্ধু পুরস্কার অর্জনের ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের আলোকে শীতলপাটি জিআই নিবন্ধনের আবেদন করা হয়। পরে বিসিক কর্তৃক শীতলপাটি জিআই নিবন্ধনের আরেকটি আবেদন করে। কিন্তু রাজনগরবাসীর আপত্তির পরেও বিসিকের অনুকূলে শীতলপাটি জিআই নিবন্ধন হয়, যা কোনভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। অথচ ভারত টাঙ্গাইল শাড়ি জিআই করে নে, বিসিক কিছুই জানে না!

৯০ দশকে চট্টগ্রাম মীরশরাই বারইয়ারহাটে বাণিজ্যিকভাবে শীতলপাটি তৈরি ও রপ্তানির কার্যক্রম চালু করে ‘রানা ইন্টারন্যাশনাল’ নামক প্রতিষ্ঠান। উহার পৃষ্ঠপোষকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বেচ্ছাধীন তহবিল হতে অনুদান বরাদ্দ হয়। শীতল পাটির কাঁচামাল (পাটিপাতা) চাষে ১৯৯৫ সালে ‘কৃষি উন্নয়নে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার’ এবং শীতল পাটি তৈরিতে ১৯৯৭ সালে ‘বঙ্গবন্ধু পুরস্কার’ বিজয়ী হয়। সে ধারাবাহিকতায় ২০০২ সালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন হিসেবে ‘বাংলাদেশ বাঁশ, বেত ও পাটি শিল্প ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা হয়। ফাউন্ডেশনটি প্রতিষ্ঠার লগ্ন থেকেই বিলুপ্তপ্রায় হস্তশিল্প উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে আসছে। ২০২০ সালে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফাউন্ডেশনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার রেকর্ড নোট নিম্নরূপ-

শীতলপাটি উন্নয়নে বাংলাদেশ বাঁশ, বেত ও পাটি শিল্প ফাউন্ডেশন এর প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে প্রধান অতিথি হিসেবে সচিব, শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপস্থিতিতে চেয়ারম্যান বিসিক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএমই ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ বাঁশ, বেত ও পাটি শিল্প ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন ফর এসএমই’র ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব এসএম জিল্লুর রহমান এর সভাপতিত্বে গত ২৬/০২/২০২০ তারিখে এ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সভায় নিম্নবর্ণিত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়:
(১) বাংলাদেশ বাঁশ, বেত ও পাটি শিল্প ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক জনাব মাস্টার মোঃ আবুল কালাম বলেন যে, ঐতিহ্যবাহী কারু শিল্পের মধ্যে শীতল পাটি অন্যতম গৃহশিল্প। শীতলপাটি ইউনেস্কো কর্তৃক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বয়ন শিল্প এবং বঙ্গবন্ধু পুরস্কার প্রাপ্ত কৃষিভিত্তিক শিল্পও বটে।
(২) বাংলাদেশের সিলেট, মৌলভীবাজার, বরিশাল, ঝালকাঠি, টাঙ্গাইল, ফেনী, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, চাঁদপুর প্রভৃতি জেলায় শীতল পাটি তৈরি ও বিপণন হয়। ভোলা, নোয়াখালী পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনা প্রভৃতি জেলায় হোগলা আবাদের মাধ্যমে পাটি ও রপ্তানি মুখীপণ্য তৈরি হয়। বগুড়া, নওগাঁ জেলায় পাতি আবাদ ও মাদুর পাটি তৈরি হয়। তবে তা যথাযথ কাজে ব্যবহারের জন্য রাষ্ট্রীয় উচ্চ পর্যায়ের মনিটরিং প্রয়োজন। সে আলোকে প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ের অনুমতিক্রমে ২০১২ সাল থেকে ৬৪ জেলায় বঙ্গবন্ধু পুরস্কৃত শিল্প-কর্ম নিয়ে এ ফাউন্ডেশনের নেতৃত্বে কাজ চলছে।
(৩) মাস্টার মোঃ আবুল কালাম আরো বলেন, দেশের বাঁশ, বেত ও পাটি শ্রেণীভুক্ত একক ব্যক্তির শিল্পকর্ম উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে গৃহশিল্প প্রতিষ্ঠা করা ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য। তিনি গৃহশিল্পের সংজ্ঞা হিসেবে একক ব্যক্তির শিল্পকর্ম যেমন, শীতলপাটি শ্রেণীভুক্ত সকল পাটি, হোগলা চাটাই- রশি, মাদুরসহ অন্যান্য পাটি শিল্প। কামার, কুমার, সুঁই-সুতা ও হ্যান্ডলুম তাঁত ইত্যাদিকে আখ্যায়িত করেন। শীতলপাটি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী হস্ত-কারুশিল্পের অন্যতম গৃহশিল্প। সিলেট জেলার বালাগঞ্জের শীতলপাটি ব্রিটেনের রানী ভিক্টোরিয়া’র প্রসাদের স্থান পেয়েছিল। ১৯০৯ সালে কলকাতায় আয়োজিত শিল্প প্রদর্শনীতে শীতলপাটির জন্য জাদুরাম দাস স্বর্ণপদক লাভ করেন।১৯৮২ সালে শীতল পাটি তৈরির জন্য জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কুটির শিল্প হিসেবে পুরস্কার অর্জন করেন। ইতালির রোমে ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত কুটির শিল্প প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের শীতলপাটি পুরস্কার লাভ করে। ১৯৯৭ সালে শীতলপাটি তৈরির ক্ষেত্রকে বঙ্গবন্ধু পুরস্কার এ ভূষিত করা হয় এবং ডিসেম্বর ২০১৭ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক বাংলাদেশের শীতল পাটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করে। তাছাড়া কামার, কুমার, সুঁই-সুতা ও হ্যান্ডলুম তাঁত ঐতিহ্যবাহী গৃহশিল্প। তার সার্বিক উন্নয়নে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক “এসএমই বৃত্তিমূলক শিক্ষা” প্রবর্তন হয়।
(৪) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদনের আলোকে “গৃহায়নে শিল্প প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্প” কেন্দ্রীক হরিণাটিলা, হিঙ্গুলী, মীরসরাই, চট্টগ্রাম শীতলপাটি উন্নয়ন ও রপ্তানি কেন্দ্রস্থল। এসব অঞ্চলে পাটিপাতা(মুর্তা) চাষ ও শীতলপাটি তৈরীর ক্ষেত্রে “বঙ্গবন্ধু পুরস্কার” অর্জিত হয়।
০৫। এ শিল্পে ব্যবহত উপাদান হিসেবে তিনি নিম্নরূপ বর্ণনা করেন:
১। ক) পাটিপাতা (মুর্তা) ছাল থেকে শীতলপাটি, রঙ্গিন পাটি, সাধারণ পাটি, জায়নামাজ পাটি তৈরি হয়। পাটিকে কর্তন করে বিভিন্ন পণ্য যেমন, টিস্যুবক্স, বক্সট্রে, কলমদানি, ডেক্সট্রে, ফাইল কভার, লেডিস ব্যাগ, হ্যান্ডপাসসহ শোপিস তৈরি হয়।
খ) মুর্তার অপর ছাল দিয়ে তৈরি হয় বুক্কাপাটি।
গ) মুর্তার অবশিষ্ট অংশ দিয়ে তৈরি হয় ব্রাউন পাল্ব এন্ড পেপার। যা বিসিএসআইআর কর্তৃক পরীক্ষিত ও অনুমোদিত।
ঘ) মুর্তা আবাদ জলবায়ু পরিবর্তন রোধের সহায়ক, মশার উপদ্রব হ্রাস করে এবং ওষুধিও বটে।
২। ক) হোগলা চরঅঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে আবাদ হয়। হোগলা থেকে চাটাই (পাটি) সহ বিভিন্ন ব্যবহারিক পণ্য তৈরি হয়।
খ) হোগলার তৈরির রশি দ্বারা রপ্তানি মুখী পণ্য উৎপাদন হয়। যার মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় সহ ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।
গ) নোয়াখালীর মাইজদিতে বাণিজ্যিকভাবে হোগলা আবাদ হয়।
ঘ) হোগলা জলবায়ু পরিবর্তন রোধের সহায়ক কাঁচামাল।
৩। ক) মাদুর তৈরির কাঁচামাল পাতি বগুড়া, নওগাঁ, নাটোর অঞ্চলে আবাদ হয়।
খ) পাতি দ্বারা মাদুর তৈরি হয়। দেশ-বিদেশে মাদুরের বড় বাজার বিদ্যমান।
৪। খেজুর পাতা দিয়ে তৈরি পাটি দেশীয় বাজারে ক্রয়- বিক্রয় হয়ে থাকে।
৫। কচুরিপানা দিয়ে মিনি পাটি তৈরি পূর্বক শো-পিছ তৈরি হয়।
৬। কলা গাছের ছাল দিয়ে তৈরি রশি দিয়ে বিভিন্ন পণ্য তৈরি হয়। ভুট্টারখোল দ্বারা ফিলিপাইন আন্তর্জাতিক মানের ব্যাগ তৈরি করে।
৭। উইলো আমদানি পূর্বক রপ্তানিমুখী পণ্য তৈরি হয়। যার কাঁচামাল বাংলাদেশে আবারযোগ্য।
৮। ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া ডানিডার নির্মিত পতিত ভবনে গৃহশিল্প প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
৯। বাংলাদেশ গৃহশিল্প এসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করা।
১০। শীতল পাটিকে জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ তে “গৃহশিল্প” হিসেবে প্রতিস্থাপন করার জন্য তিনি প্রস্তাব করেন। এ প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত সচিব(স্বস ও আস) বলেন যে, শীতলপাটি ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভিয়াতে প্রচুর পরিমাণে রপ্তানি হচ্ছে।
০৬।এ প্রেক্ষিতে শিল্প সচিব বলেন যে, নোয়াখালীর মাইজদীতে যদি হোগলা বেশি হয় এবং অনেক পরিবার বংশপরস্পরায় হোগলা দারা পণ্য তৈরি হয়। তাহলে তা উল্লেখ করে ক্লাসটারভুক্তির জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত এসএমইএফ এ আবেদন করতে হবে। ক্লাসটারভুক্ত হলে এসব পরিবারগুলোকে আরো বেশী প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ করে তোলা সম্ভব হবে। সে ক্ষেত্রে হোগলা উৎপাদনের জন্য আরো কি কি পদ্ধতি অবলম্বন করা দরকার তা নির্ণয় করা সহজ হবে। এছাড়া তাদের উৎপাদিত পণ্য যাতে বিদেশে রপ্তানি সম্ভব হয় সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা সম্ভব হবে। এছাড়া শীতল পাটি যেখানে বেশি তৈরি হয় সেসব এলাকা সংশ্লিষ্ট বিসিক শিল্প নগরীতে রেজিস্ট্রেশন করলে বিসিক/ এসএমইএফ অথবা যেকোনো ব্যাংক প্রাপ্তিতে সহায়ক হবে। শিল্প স্থাপন করার পরামর্শ প্রদান করেন।
০৭। শিল্প সচিব আরো বলেন যে, গৃহশিল্প বলতে জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ তে কোন শিল্প নেই। তবে জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ এ ০৭ ক্যাটাগরির শিল্প সংস্থা রয়েছে। তামধ্যে শীতল পাটি শিল্পের উন্নয়নের জন্য যেকোনো একটি খাতে স্বীকৃতি লাভের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় আবেদন করলে ক্যাটাগরিভিত্তিক শিল্পনীতিতে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।
০৮। সভায় বিস্তারিত আলোচনা শেষে নিম্নবর্ণিত সিদ্ধান্তসমূহ গৃহীত হয়:
০১। শীতলপাটিকে ভৌগোলিক পণ্য হিসেবে নিবন্ধনের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন পেটেন্ট,ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে।
০২। শীতলপাটি উন্নয়নে সরকারি সুযোগ-সুবিধা অর্জনের লক্ষ্যে বিসিকের সংশ্লিষ্ট শিল্পনগরীর আওতায় নিবন্ধনভুক্ত হতে হবে।
০৩। হোগলা দ্বারা উৎপাদিত পণ্য শিল্পে প্রক্রিয়াকরণ/ গবেষণা করার প্রয়োজনে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব প্রেরণ করতে হবে।
০৪। শীতলপাটি/হোগলা দ্বারা উৎপাদিত পণ্যকে শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করতে জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ অনুযায়ী যেকোনো একটি শিল্পে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় আবেদন করতে হবে।
০৫। হোগলা উৎপাদন পদ্ধতি সহজতর এবং উৎপাদিত পণ্য যাতে বিদেশে রপ্তানি করা যায় সে লক্ষ্যে ক্লাসটারভুক্তির জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এসএমই ফাউন্ডেশন এ আবেদন করতে হবে।
উক্ত সভার সিদ্ধান্তের আলোকে ফাউন্ডেশন কর্তৃক শীতলপাটি জিআই নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় ফি জমা দিয়ে আবেদন করা হয়। এর কয়েক মাস পর বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) কর্তৃক বালাগঞ্জের অনুকূলে শীতলপাটি জিআই নিবন্ধনের জন্য আরেকটি আবেদন করে।
ইহাতে এক পর্যায়ে অত্র ফাউন্ডেশন এবং বিসিক এর মধ্যে বছরের পর বছর শুনানী চলতে থাকে এবং এক পর্যায়ে ২০২৩ সালে ফাউন্ডেশনের আবেদনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে পত্র জারি করা হয়। পরবর্তীতে টেলিভিশনের পর্দায় দেখা যায়, আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাক ঢোল পিটিয়ে বিসিক চেয়ারম্যানের হাতে শীতলপাটি জিআই সনদ তুলে দেওয়া হয়। ইহাতে প্রতিয়মান হয় যে, সরকারের প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং লাঞ্ছিত হয়। প্রসঙ্গে,ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, কুশিয়ারা নদীর উত্তর তীরে বালাগঞ্জ আর দক্ষিণ তীরে রাজনগর অবস্থিত। তৎকালীন বৃহত্তর সিলেটের রাজনগরের তৈরি শীতলপাটি বালাগঞ্জে বিক্রি হত। কিন্তু বালাগঞ্জে শীতল পাটি তৈরির কোন অস্তিত্ব নাই। তাই রাজনগরবাসির আপত্তির পরও বিসিক এর অনুকূলে শীতলপাটি জিআই নিবন্ধন দেওয়া হয়।

এখন জনগণের প্রশ্ন ভারত কর্তৃক টাঙ্গাইল শাড়ি জিআই নিবন্ধনের খবর বিসিক কি জানেন?
বাংলাদেশ বাঁশ, বেত ও পাটি শিল্প ফাউন্ডেশন
bbcmfoundation@gmail.com
চলমান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

আর্কাইভ

February ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jan   Mar »
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
© 2023, All rights reserved.
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট