খিলক্ষেত ৯৬ নং ওয়ার্ডের গিট্টু সুমন অন্ধকার জগতের এক ভয়ংকর নাম খিলক্ষেত থানা জামতলা,টানপাড়া, নিকুঞ্জ, পুরান, লইরা বাড়ি বস্তির সাধারন মানুষের কাছে এক আতংক, গিট্টু সুমন ও আদিল (বাহিনী) গ্রুপ । আওয়ামী লীগের তকমা ধারী কয়েক নেতা এবং স্থানীয় কয়েক বাড়িওয়ালার নেপথ্য মদদে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে চলেছে গিট্টু সুমন ও আদল গ্রুপ। জামতলা মৃধা বাড়ি রোড় থেকে কতিপয় এক নেতার স্বার্থ রক্ষাপরায়ন বাহিনী হিসেবে চিহ্নিত তারা। এরা খিলক্ষেত নিকুঞ্জ এলাকা আতঙ্ক হিসেবে চিহ্নিত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক সংবাদ কর্মী জানান । এরা দলীয় তকমা লাগিয়ে নান্নু নির্দেশে দলীয় মিটিং মিছিলে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এলাকায় নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করে, নিকুঞ্জ এলাকায়- দখলবাজী,চাঁদাবাজি,ধান্ধাবাজি,মাদক ব্যবসা নারী ব্যবসা সহ অবৈধ বিদুৎ, গ্যাস, পানির লাইন সংযোগে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। প্রতি মাসে কয়েক লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে এদের বিরুদ্ধে। একাধিক মামলায় জেল খাটা আসামী গিট্টু সুমন ও আদিল বাহিনী সদস্যদের কাছে অসহায় বস্তি সহ খিলক্ষেত নিকুঞ্জ এলাকার সাধারণ ভাড়াটিয়ারা। এদের কথা না শুনলেই বিপদ, হতে হবে এলাকা ছাড়া। চলে হত্যার হুমকি, শারীরিক নির্যাতন ও মিথ্যে অপবাদ হয়রানি কর বিভ্রান্ত অবস্থা। অভিযোগ রয়েছে এদের সেল্টার দাতা মাস্টারমাইন্ড নান্নুর বিরুদ্ধে । বেশ কিছু দিন আগে জামতলা মোড়ে এক সংবাদ কর্মীকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করে আহত করে গিট্টু সমান ও তার সঙ্গ সিন্ডিকেটের সদস্যরা । তাদের অত্যাচারে অতিষ্ট এলাকায় বসবাসকারী ভাড়াটিয়ারা। অনুসন্ধানে জানা যায় ২০১৮ সালে ভ্যানগাড়ি মান্নানের ছেলে খোকন ড্রাইভার কে হত্যার মাধ্যমে তাদের আত্মপ্রকাশ ঘটে। নেতাদের মিটিং মিছিলে অংশগ্রহণ তাদের একটা কৌশল মাত্র। মূলত শ্রমিক লীগের নান্নুর মদদে এই এলাকায় আতঙ্ক হয়ে এই গ্রুপ। আন্ডারগ্রাউন্ডে থেকে সকল অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে গিট্টু সুমন ও মাস্টারমাইন্ড নান্নু ওদের সেল্টার দাতা এবং নান্নুর নেতৃত্বে এলাকায় তৎপর আদিল গ্রুপ। এদের বেপারে বেশ কয়েকটি সরকারী দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করে ও লাভ হয়নি। বস্তিবাসী সহ এলাকার চাপে মাঝে মধ্যে গা ঢাকা দিলেও । খিলক্ষেত থানা এলাকায়,শ্রমিক লীগের নেতা নান্নুর শেল্টারে ফের সক্রীয় তারা। গুঞ্জন উঠেছে খিলক্ষেত থানা ৯৬ নং ওয়ার্ড থানা শ্রমিক লীগের সাবেক সভাপতি নান্নু ছিল তালা চাবি ওয়ালা। কালের পরিবর্তে রাজনৈতিক তকমা লাগিয়ে রাতারাতি চাবি ওয়ালা নান্নু এখন নান্নু শেখ আওয়ামী নেতা। নান্নু শেখের ইশারা ইঙ্গিতে রয়েছে গিট্টু সুমন ও আদিল বাহিনীর সংঘবদ্ধ সদস্যরা। খিলক্ষেত ডিআইটি প্রজেক্টের মতো অভিজাত এলাকা নিকুঞ্জের পাশঘেসে জামতলা, নইড়াবাড়ি, পুরান বাজার,জামতলার গেট্টু সুমন ও আদিল বাহিনী যেন এক বিষফোঁড়া হয়ে উঠতে খিলক্ষেতে। রাজধানীর অন্যসব এলাকার চেয়ে খিলক্ষেত থানার নামের সাথে সন্ত্রাস, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, অপরাধীদের আশ্রয়স্থল, দখল ও পাল্টাদখলের বদনাম অঙ্গাঙ্গী হয়ে আছে সরকারের প্রস্তাবিত খিলক্ষেত নিকুঞ্জ পুরান বাজার থেকে জামতলা নইরা বাড়ি বস্তি বিমান বন্দর বর্ডার এলাকা খিলক্ষেত। রাজধানীর খিলক্ষেত নিকুঞ্জের পাশঘেসে এই এলাকাটি দরিদ্র মানুষদের আবাসস্থলে পরিণত হয়েছে। এই এলাকায় গার্মেন্টস শ্রমিক, দিনমজুর, গৃহপরিচারিকা, রিকশাওয়ালা সহ কায়িক শ্রমজীবী বহু মানুষকে মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসাবে দেখার হলেও অপরাধী, সন্ত্রাসীরা সক্রিয় রয়েছে এখানে।
অপরাধীদের সেল্টার দাতা কে এই নান্নু শেখ: দীর্ঘ বহু বছর যাবত উক্ত এলাকায় নান্নু শেখ বিভিন্ন ধরনের মাদক ইয়াবা,ফেনসিডিল,গাঁজা,সহ নারী ব্যবসা,বিদেশি অস্ত্রের ব্যবসা ও চাঁদাবাজি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন এই নান্নু। উল্লেখ্য যে নান্নু শেখের পালিত সন্ত্রাসী ক্যাডারগন মাদকাসক্ত হয়ে উঠতি বয়সের মেয়েদের কে ইভটিজিং সহ ধর্ষনের মত জঘন্য কাজ করতে ও পরোয়া করছে না নান্নুর ক্ষমতা বলে।জামতলা মৃধা বাড়িতে একাধিক পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে আড্ডায় ও থানার দালালি কাজ করায়,এলাকার কেউ তাদের বিরুদ্ধে মূখ খোলার সাহস প্রায়। প্রতিবাদ করলে তাদের কে প্রাণ নাশের হুমকি প্রদর্শন করে তার পালিত ক্যাডার বাহিনী। পুরো নিকুঞ্জ এলাকা সহ বস্তিতে নান্নু নেতা ও তার সহযোগীরা,সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি,মাদক ব্যবসা,অবৈধ গ্যাস সংযোগ,পানি,ও অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে রাতের অন্ধকারে কাজ করে তারা। খিলক্ষেতে মাদক ছড়িয়ে দিয়ে যুব সমাজ ধংস সহ নানান রকমের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও নানান সমস্যা সম্মুখীনে বাধ্য করে তারা। তাদের কারণে এলাকার সামাজিক পরিবেশ অত্যন্ত নিন্দনীয়। এলাকার সচেতন নাগরিকদের দাবী ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকাসক্তি থেকে মুক্ত রেখে সুন্দর বসবাস যোগ্য পরিবেশ গড়তে হলে সমাজ থেকে দলীয় তকমা ধারী নান্নু শেখ ও তার সহযোগীদের মত জঘন্য সন্ত্রাসী বাহিনীদের কে আইনের আওতায় এনে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী গ্রেফতার সহ শাস্তি নিশ্চিত করা অতীব জরুরী। উল্লেখ্য নান্নু শেখ, গিট্টু সুমন, আদিল গ্রুপ এরা হচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী তকমা ধারী। সমর্থক সময়ে সময়ে নান্নু এলাকায় ফাতে ভয়ংকর ফাঁদ : টার্গেট হচ্ছে কর্মী জীবি একাধীক ব্যাক্তি, অর্থশালী ভাড়াটিয়া ও প্রভাবশালী বাড়িওয়ালার ছেলে। তাদের সাথে মাদক আসর বসিয়ে ভিডিও ধারণ করে তা স্ক্রিনশট দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি ও মামলার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মান সম্মানের ভয়ে তাদের শর্তমত মোটা অংকের টাকা দিলেও তাদের কে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে থাকে, নান্নু ও তার নিয়ন্ত্রণে থাকা গিট্টু সুমন ও আদিল গ্রুপ। তাদের শর্তমত রাজি না হলে নারী নির্যাতন মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে নান্নু শেখের অপকর্ম অপরাধের কথা দলের সিনিয়র নেতাদের কানে এবং কেন্দ্রীয় নেতাদের কানে গেলে। শ্রমিক লীগের খিলক্ষেত থানা কমিটি গঠন করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ এসেছে বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। বর্তমানে নান্নু শেখ এবং তার অনুসারীদের দলীয় মিটিং মিছিলে তেমন ভূমিকা রাখতে দেখা যায় না। তবে খিলক্ষেত থানায় মামলার দালালীর মাধ্যমে নিজের আধিপত্য বিস্তার ধরে রেখেছে তারা। প্রায় সময় খিলক্ষেত থানার বারান্দায় দেখা যাচ্ছে নান্নু শেখ কে। থানা পুলিশের সাথে সক্ষমতা রেখে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ধরে রাখতে গোপনে কিশোর গ্যাং উৎপত্তি মদদ দিচ্ছে এই তকমা ধারী নেতা। নিজের স্বার্থ রক্ষায় সুকৌশলে ব্যবহার করা হচ্ছে এসব গ্রুপ।