তীব্র গরমের পর নোয়াখালী কিছু অঞ্চল খাগড়াছড়ি– স্বস্তির বৃষ্টি
টানা তাপপ্রবাহের পর নোয়াখালী কিছু অঞ্চল খাগড়াছড়ির বিভিন্ন উপজেলায় বৃষ্টি হয়েছে।
তীব্র গরমে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নোয়াখালী চট্টগ্রাম ও ফেনীর পর খাগড়াছড়ি–ও স্বস্তির বৃষ্টি হয়েছে। এতে জেলাগুলোতে কিছুটা তাপমাত্রা কমে যাবে। ফলে বৃষ্টির কারণে জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি নেমে এসেছে।
২ মে বৃহস্পতিবার ভোর রাত থেকে জেলার মানিকছড়ি, মাটিরাঙা, দীঘিনালা, রামগড়সহ বিভিন্ন এলাকায় বজ্র ও বৃষ্টিপাত শুর হয়। তীব্র গরমের মধ্যে বৃষ্টি হওয়ায় মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। পুরো জেলায় ঘণ্টাব্যাপী চলা বৃষ্টিতে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছ।
বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আম ও লিচুর ফলন বিপর্যয় কমে আসবে বলে আশা কৃষি বিভাগের।
বৃষ্টির কারণে জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি নেমে এসেছে।
খাগড়াছড়ির আমচাষী মংশিতু চৌধুরী বলেন, ‘বৃষ্টিপাত না হওয়ার কারণে গাছের আম ও লিচু ঝরে যাচ্ছিল। অবশেষে সকালে বৃষ্টি হওয়ায় আম ও লিচুর ঝরে পড়া কিছুটা হলেও কমবে।’
খাগড়াছড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. বাছেরুল আলম, ‘বৃষ্টিপাত হওয়ায় আমসহ বিভিন্ন গ্রীষ্মকালীন ফলনের যে বিপর্যয় সেটা কিছুটা হলেও কমবে।’
নোয়াখালীতে অসহনীয় গমরের মধ্যে ক্ষণিকের জন্য বৃষ্টির দেখা মিলেছে।
এদিকে নোয়াখালীতে অসহনীয় গমরের মধ্যে ক্ষণিকের জন্য বৃষ্টির দেখা মিলেছে। বৃষ্টির সঙ্গে ছিল ঝড়ো বাতাস ও বজ্রপাত।
জেলা আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, নোয়াখালীতে প্রথমে সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে থেকে ৮টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ১০ মিনিট এবং এরপর সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৫ মিনিট পর্যন্ত ৫ মিনিট বৃষ্টিপাত হয়। এ দুই ধাপে জেলায় মোট ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেখা মিলল স্বস্তির বৃষ্টি ।
এদিকে গত কয়েক দিনের টানা অসহনীয় গরমের মধ্যে আকস্মিক এ বৃষ্টি ক্ষণিকের জন্য হলেও মানুষকে স্বস্তি দিয়েছে। তবে বৃষ্টির সময় বজ্রপাতে জেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে কয়েকটি গরু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।