৩০ মে গভীর রাতে ঢাকা মহানগর দক্ষিন মহিলা লীগের কমিটি ঘোষনা করা হয়। ঘোষিত কমিটিতে রাজপথের পরীক্ষিত ও ত্যাগি নেত্রীদের বাদ দিয়ে অর্থের বিনিময় অসামাজিক কার্যক্রম তথা দেহ ব্যবসার সাথে জড়িত, জীবনে কোন দিন রাজনীতি করেন, রাজনীতি নিস্কৃয় নারীদের গুরুত্বপুর্ন পদে দেওয়ায় আওয়ামী রাজনীতিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মহিলা লীগে তোলপাল।
পদ বঞ্চিত অর্ধ শতাধিক মহিলা নেত্রী যারা রাজপথের পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেত্রী গতকাল (১জুন) ধানমন্ডী ৩/এ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এর সাথে সাক্ষাৎ করে। মন্ত্রী নেত্রীদের অভিযোগ মনোযোগ সহকারে শুনে, মহিলা লীগ কেন্দ্রীয় সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি কে ফোন করে, ঢাকা মহানগর দক্ষিন মহিলা লীগের কমিটি স্থগিত করার নির্দেশ দেন। বাদ পড়া ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেত্রীদের অন্তভুক্তি করে কমিটি পুনঃগঠনের নির্দেশ দেন। জানাগেছে
১,নং সহ সভাপতি রুনিমা সৈয়দা পারভীন রাজু। রাজনীতিতে দীর্ঘদিন নিস্কৃয়। সহ সভাপতি ১ হওয়ার কোনই যোগ্যতা নেই।
৩ নং সহ সভাপতি বাদল বিবি (৮০) সাধারণ সম্পাদক পারুল বেগমের মেয়ের শ্বাশুড়ি। বেহাইন।
যাকে কোনো প্রোগ্রামে দেখা যায়না। ৫,নং সহ সভাপতি সাবিনা পারভিন মহিলা লীগের কোন রাজীনৈতিক কর্মসুচীতে দীর্ঘ বছরেও দেখা যায়নি। সে মহিলাদের নিয়ে অসামাজিক কাজ করে বলে এলাকায় জনস্রতি রয়েছে।
৭,নং সহ সভাপতি শেফালী আক্তার রাজনীতিতে আসে না।
১১,নং সহ সভাপতি মোসাঃ রুবি খাতুন জীবনে কোন দিন রাজনীতি করেনি। বালু ব্যবসার আড়ালে নারী ব্যবসা করে। সে ১ নং যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মাহবুবা বেগম (কানন) এর ব্যবসায়ীক পার্টনার ও ঘনিষ্ঠ বান্ধবী। কানন
মোটা টাকার বিনিময়ে এই পদে পদায়ীত হয়েছে। এবং বালুর বিজনেসের নিয়মিত লাভের অংশ দেয়ার শর্তে তাকে সহ সভাপতি করা হয়।
১২, নং সহ সভাপতি শেফালী মল্লিক অসামাজিক কার্যক্রমে জড়িত। একজন নারী ব্যাবসায়ী
নিজে একজন সময়ে দেহ ব্যবসা করতো। এখন নিজ মেয়ে টুম্মা মল্লিক ও হিরা মল্লিক কে দিয়ে দেহ ব্যবসা করে বলে এলাকাবাসী জানান।
যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মাহবুবা বেগম কানন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক মহিলালীগ কর্মীদের জন্য বরাদ্ধকৃত শেলাই, কম্বল ও শাড়ী চুরি করে ধরে পড়েছিলো। সে তার মেয়ে ভাগনী, বান্ধবীকে কমিটি নিয়েছে। টাকার বিনিময় হাইব্রিটদের কমিটিতে নিয়েছে। যারা টাকা দিতে পারেনি। তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে।
২,নং সাংগঠনিক সম্পাদক মনিসা আক্তার বৃষ্টি যে সাধারণ সম্পাদক পারুল বেগমের মেয়ে, যে কোনোদিন ই কোনো মহিলা আওয়ামী লীগের পাটির প্রোগ্রামে অংশ গ্রহন করে নাই। ৩,নং সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেরা রিয়া সে পুরানো কর্মী, কিন্তু প্রোগ্রামে সক্রিয় না। ৪,নং সাংগঠনিক সম্পাদক শাম্মি লিয়াকত, সে ফরিদপুর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য, এবং কলা বাগান থানার সাংগঠনিক সম্পাদক এখন টাকার বিনিময়ে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে পদায়ীত হয়েছে। গত ১৫/০৮/২৩ ইং তে সকালে ধানমন্ডির প্রোগ্রাম শেষ করে সাবেরা বেগম, মাহাবুবা কানন পল্টন থানার আক্তারী বেগম মানসী ও মানসীর মেয়ে সহ শাম্মি লিয়াকত এর বাডায় যায়।এবং সেখানে চায়নিজ খাইয়ে মোটা অংকের অর্থ লেনদেন করা হয়।৫,নং সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলিমা খাতুন, সে রাজনীতিতে আসে শুধু মাত্র সময় কাটানোর জন্য। সে রাজনীতির র ও বোঝে না। সম্পূর্ণ নতুন। সে কিভাবে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আসে। ৬,নং সাংগঠনিক সম্পাদক নুসরাত জাহান রিতা, তাকে কখনো কেউ কোনো প্রোগ্রামে দেখে নাই। ৭,নং সাংগঠনিক সম্পাদক গীতা এতবর এরে ও কেউ চিনে না। দপ্তর সম্পাদক নুসরাত জাহান সুমী,ইতিপূর্বে মহিলা আওয়ামী লীগের কোনো ধরনের ওয়ার্ড এ ও কোনো অবস্থান ছিলো না, সম্পূর্ণ নতুন,হঠাৎ করে দলের দপ্তর সম্পাদকের মতো একটা গুরুত্বপূর্ণ পদে এই নতুন মেয়ে কিসের বিনিময়ে আসে? যেখানে আমাদের মতো রাজপথে লড়াই করা সাংগঠনিক যোগ্যতা সম্পন্ন মেয়েরা পদ বঞ্চিত হয়েছে। প্রচার সম্পাদক নাসিমা আক্তার লাভলী, কে এই নারী হঠাৎ কিভাবে নেত্রী হলো? এতো এতো একটিভ মাঠের কর্মী থাকতে, তাদের বঞ্চিত করে নতুনদের নেতা বানানো হলো? কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফারজানা নার্গিস বর্তমানে ময়মনসিংহ মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে আছে, সে ময়মনসিংহের ভোটার। সাবেরা,পারুল কানন তাকে টাকার বিনিময়ে পদায়ীত করেছে। তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শারমিন আক্তার শিপ্রা, সে বিএনপি জামাত থেকে আসা,তার জীবন ধারণ নিয়ে একসময় সাবেরা কানন মানসীরা অনেক বাজে বাজে কথা বলতো। এবং কি সে পাবনার ভোটার। এখন শুধু মাত্র টাকার বিনিময়ে এই পদটি দেয়া হয়েছে। সে আগে কখনোই মহিলা আওয়ামী লীগে ছিলো না। এ ধরনের জামাত বিএনপির মেয়েদের নিলে তো দলের গোপনীয়তা রক্ষা করা যায় না। অনেক কিছু আমাদের মতো প্রকৃত আওয়ামী লীগের নেত্রীদের জন্য ক্ষতি ছাড়া কিছুই না। মা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক, ইশরাত জাহান অরিন সম্পূর্ণ অপরিচিত। বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক রাহিমা আহমেদ ও সম্পূর্ণ নতুন। সেও অর্থের বিনিময়ে পদায়ীত হয়েছে। ধর্ম সম্পাদক নার্গিস আক্তার ও সম্পূর্ণ নতুন এদের নাম ও কখনো শুনি নাই। শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক তাসলিমা বেগম সেও সম্পূর্ণ অপরিচিত। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আয়শা খাতুন শেলী। তাকেও চিনি না।মানব উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক মাবিয়া শাহীন তাকেও চিনি না। ৷৷ ১,নং সদস্য দিলারা খানম (গেন্ডারিয়া) কলেজ,সক্রিয় না।৬,নং সদস্য লায়লা বেগম।(গেন্ডারিয়া)। সাধারণ সম্পাদক পারুল বেগমের ননদ।লায়লা বেগম পারিবারিক সুত্রে রাজনীতিতে পদায়ন। যার কোনো ধরনের রাজনৈতিক সক্রিয়তা নাই।১০,নং সদস্য ফারহানা মান্নান রুম্পা,(সুত্রাপুর) সে কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি কামরুন নেসা মান্নান এর মেয়ে। তাদের মা মেয়ের রাজনৈতিক আগ্রাসনে সুত্রাপুর থানা অতিষ্ঠ। ফারহানা মান্নান রুম্পা চাকরিজীবী, রাজনীতিতে তার কোনো ধরনের ভুমিকা নাই। তার পরও সাবেরা পারুল এলাকার সকল ময়মুরুব্বিদের বৃদ্ধা আংগুলী দেখিয়ে অহেতুক তাকে স্ব- ঘোষিত সভাপতি করেছে। কিন্তু জনপ্রতিরোধে সেই কমিটি বাতিল ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছিলো।বর্তমান মহানগর কমিটি ঘোষণা হওয়ার চার দিন আগে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মানিকগঞ্জ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের পূর্নাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেন।উল্লেখ্য উক্ত কমিটিতে ফারহানা মান্নান সমস্ত বর্ষীয়ান ও ত্যাগী নেত্রীদের উপেক্ষা করে ১,নং সদস্য নির্বাচিত হন। যাহাতে মানিকগঞ্জ আওয়ামী লীগে বিরুপ প্রভাব পরে। কামরুন নেসা মান্নান ও তার মেয়ে ফারহানা মান্নান রুম্পা -র অনৈতিক জীবন ধারা ও পদ লালসায় দলীয় সকল নেতা কর্মীরা বিরক্ত। ১২,নং সদস্য শামীম আরা বেগম (মতিঝিল) অনেকেই তাকে চিনে না। ১৬,নং সদস্য সুফিয়া বেগম একজন প্রবিন কর্মী বটে,ছয় বছর যাবৎ ব্রেন স্টোক করার কারণে দলীয় সকল প্রোগ্রামে আসতে পারে না। তার নিজস্ব কর্মী নাই বলা যায়। সে দলীয় পরিচয়ে বিভিন্ন লোকজন এর কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নেয়ার অভিযোগ আছে। ১৮,নং সদস্য মর্জিনা ফেরদৌস (লালবাগ) নতুন সব প্রোগ্রামে আসে না।১৯,নং সদস্য ২২,নং সদস্য (পল্টন) আক্তারী বেগম মানসী সে সাবেরা,কানন,এর সকল কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত। তার বাসাতেই সবক আলাপালোচনা সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এই মানসীর ও কোনো রাজনৈতিক পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। সম্পূর্ণ নতুন। তার বাসাতেই অনেক ত্রাণ রাখা হতো। একসময় সে বলেছে,কাননের বাসায় আলমারি ভরা কাপড়, এই জন্য কখনোই কাউকে কাননের বাসায় নেয় না। তার বাসাতেই আড্ডা দেয়।নাস্তার পিছনে তার রোজ অনেক টাকা খরচ হয়। ২৩,নং (লালবাগ) ফারজানা ইসলাম সে বহু বিবাহ বিজনেসের সাথে জড়িত, এবং বিভিন্ন জনের সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত। এবং দলের নাম ভাংগীয়ে বাড়ি দখল করে আছে। যা তার এলাকায় গিয়ে খোঁজ নিলে সত্যতা পাবেন। ২৪,নং সদস্য যাত্রাবাড়ি) সানজিদা আক্তার উর্মি, তার সবচেয়ে বড়ো পরিচয় তার রাজনীতির আশ্রয় তার মা। এটাও সাধারণ সম্পাদক পারুল বেগমের মেয়ে, যার কোনো ধরনের রাজনৈতিক সক্রিয়তা নেই। ২৫,নং সদস্য (পল্টন) মাহাবুবা কানন এর নিজ মেয়ে, যার অন্য কোনো পরিচয় নেই। এবং কোনো ধরনের রাজনৈতিক সক্রিয়তা নেই। ২৭,নং (কোতোয়ালি) রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নিলেও সে কখনোই রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলো না। হঠাৎ সভানেত্রী সাবেরা বেগমের কুটকলে এলাকার ত্যাগী নেত্রীদের মধ্যে নানা প্রকার ঝটিলটা দেখা যাচ্ছে। গ্রুপিং ও বিভেদ তৈরি করছে। সেও তার বাবার মতো কোতোয়ালি থানায় আওয়ামী লীগ ও জনগণ দ্বারা প্রত্যাক্ষিত। তার বহু বিবাহ নিয়ে চলাফেরা নিয়ে এলাকার জনগণের মধ্যে বিরক্ত প্রভাব পরে। তার বাবা আওয়ামী লীগের পরিচয় নিয়ে এলাকায় হিন্দুদের উচ্ছেদ করে বহু যায়গা জমি দখল করে ছিলো যা আজও আছে তবে সেগুলো আজ বিল্ডিং এ রুপান্তর। ৩০নং সদস্য (বংশাল) এ্যাডঃ শাহিনুর সম্পূর্ণ নতুন, সে সব প্রোগ্রামে যায় না। ৩৪,নং সদস্য (ওয়ারী)১৯,নং সদস্য আফসা আহমেদ শানু ( ওয়ারী)তার স্বামী দেবর বিএনপিতে আছে, তার শ্বশুর একেন আলী ও বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন,তার দেবরের নামে কোতোয়ালী থানায় একাধিক মামলা রয়েছে । বিএনপি থেকে আসা এই মহিলা বিভিন্ন যায়গায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুআহনাফ মান্নাফি ভাই কে নিজের বাবা পরিচয় দিয়ে চলে। এবং এই মহিলা আমাদের দলের তথ্য পাচার করে। এই মহিলার চরিত্র নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন রয়েছে। যার সত্যতা স্বরূপ ইতিমধ্যে তার অনৈতিক কার্যকলাপের উলঙ্গ ভিডিও সোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এবং তার অনৈতিক কাজের সাথে সঙ্গী ছিলো সুত্রাপুরের কোহিনূর বেগম। সে অনেকের কাছে শিকার করেছেন। এ ধরনের মহিলা রা দলের জন্য ক্ষতিকর।৪০,নং সদস্য (সুত্রাপুর) কোহিনূর বেগম, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বাবা শান্তি বাহিনীর সদস্য ছিলো, সে নিজে নর্থ ব্রক হল রোডে বাংলাবাজার অবস্থিত এক দুর্গাপূজা মন্ডপে চারজন মুসলমান মিলে যায়গা সম্পত্তি দখল করে আছে। যার মামলা আদালতে বিচারাধীন। দখলকারিদের মধ্যে কোহিনূর বেগম একজন। হিন্দু সম্প্রদায়ের কতৃক আনিত অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় মামলা চলছে। তার ব্যাক্তি জীবন ও চরিত্র খুব ই নোংরা। ইতিমধ্যে তার নেগেট ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে Face book এ ভাইরাল হয়েছে। স্থানীয় কাউন্সিলর কার্যালয়ে হরহামেশাই কোহিনূরের বিচার বসে ।তার মতো সমাজ বিরোধী বিক্রিত চরিত্রের নারী কে মহিলা আওয়ামী লীগের মতো সংগঠনে কিভাবে যায়গা পাশ? কিসের বিনিময়ে? বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ কতৃক অনুমোদিত ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটিতে সামাজিক ভাবে বিক্রিতও সংগঠন ক্ষতিকারক নারীদের পদায়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অনতি বিলম্বে এদের উক্ত কমিটি থেকে বিতাড়িত করা হোক।এবং দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও বঞ্চিত দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ কারীদের পদায়ন করার জন্য মাননীয় সভা নেত্রী মেহের আফরোজ চুমকি ও সাধারণ সম্পাদক শবনম জাহান শীলা আপার প্রতি আকুল আবেদন জানাচ্ছি। উল্লেখ্য প্রিয় সভানেত্রী মেহের আফরোজ চুমকি আপার পরামর্শ অনুযায়ী বিতকৃত পদায়ীত নারীদের অসামাজিক কার্যকলাপের কিছু চিত্র তুলে ধরলাম।
রাজপথের পরীক্ষিত ত্যাগী পদ বঞ্চিত নেত্রীরা হলেনঃ মাকসুদা বেগম, তাসলিমা পারভিন কল্পনা,
সেতু রহমান,মহুয়া মহু, বিরতী সরকার নদী, রেশমা সরদার,খালেদা আক্তার শিখা, সপ্না রহমান, রাহেলা খানম রাহি, ফারহানা চৌধুরী লাজ, সেলিনা বেগম, আফসানা খানম, গংগা, মাহবুবা মিলি সহ অর্ধ শতাধিক নেত্রী।
এ সংবাদ জাতীয় দৈনিকে ফলাই করে প্রকাশিত হওয়ায় আওয়ামী রাজনীতিতে মিস্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।