হিজড়াদের তান্ডবে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ ও বাস যাত্রীরা
গুরুত্বপূর্ণ এ রুটে দিয়ে চলাচল করা যাত্রীরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। অশ্লীল আচরণ ও বিভিন্ন অপকৌশলে এরা যাত্রীদের জিম্মি করে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেয়। টাকা না দিলে যাত্রীদের হতে হয় হয়রানির শিকার। অসহায়ত্বের মতো মেনে নিতে হয় তাদের দাবি। যেমন বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন, লঞ্চ ও ফেরিঘাট এলাকায় দাপিয়ে বেড়ায়। স্থানীয় বখাটেরা এদের সহযোগিতা করে থাকে
সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, রেল স্টেশন বাস টার্মিনাল ও ঘাট দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে থাকে। পদ্মা নদীতে থাকা নদীর স্রোত ও ফেরীসহ বিভিন্ন কারণে এ রুটের যাত্রীদের দীর্ঘ সময় ঘাটে অপেক্ষা করতে হয়। এ সময় তারা ফেরি, লঞ্চসহ বিভিন্ন কায়দায় পদ্মা নদী পারাপার হয়। যাত্রীদের এই আসা-যাওয়াতে পথে হিজড়ারা উৎ পেতে থাকে। সুযোগ বুঝে তারা লঞ্চ, ফেরি ও বাসে থাকা যাত্রীদের সঙ্গে বিভিন্ন অপকৌশল অবলম্বন করে তাদের কাছ থেকে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেন। এ সময় তারা যাত্রীদের রাস্তাঘাটে চলা অসাধারণ মানুষের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে এবং জোরপূর্বক টাকা-পয়সাও আদায় করেন। অসহায় যাত্রীরা সাধারণ মানুষ টাকা দিয়ে মান-সম্মানের ভয়ে নিজেদের আত্মরক্ষা করতে হয় হিজড়াদের অত্যাচার ও গালাগালি শুনতে হয় যাত্রীদের। এ ধরণের ঘটনা প্রতিদনিই এ রুটের যাত্রীদের সহ্য করতে হচ্ছ। বাস থামলেই এসে
কয়েকজন হিজড়া কোমর দুলাতে দুলাতে বাসে উঠে হাতে তালি মেরে, যাত্রীদের কাছে গিয়ে বলছে, এ্যাই দশ টাকা বিশ দে, টাকা না দিলে অকথ্য ভাষায় যাত্রীদের গালিগালাজ করতে করতে কাপড় খুলে ফেললাম হুমকিও দেয় । আর অসহায় মানুষগুলো জলদি জলদি টাকা দেয় না হলে তুলছে গায়ে ও হাত অস্বীকার করলে দিচ্ছে গোপন অঙ্গে হাত 🥲 এর মধ্যে রয়েছে কিছু এলাকা ভিত্তিক গুরু মা এই গুরু মাদের সেলটারে চলে দিনে ও রাতের বেলা গ্রুপ বেধে কাজ অসামাজিক কর্মকাণ্ড ও অশ্লীন ভাষায় বকাবাজির কাজ যেমন সাদ্দাম মার্কেট থেকে ভুই ঘর পর্যন্ত তানিয়া হিজরার এরিয়া এই এরিয়ায় দিনে ও রাতে দুই গ্রুপে চলছে কাজ দিনের বেলায় এক গুরুপে মার্কেট দোকান পাট ও কাঁচা বাজার এমনকি চায়ের দোকানে টাকা আদায় করা এবং রাতের বেলায় চলছে জ্বলন্ত পরীদের ঝলমলে আলোর দিশারী ছেলে থেকে মেয়ে হয়ে এদের ধান্দাবাজি, এর মধ্যে রয়েছে , ছেলে এখনো সার্জারি করেনি রুপালি, মাহি, হ্যাপি , ও কচি পূর্বে ছিল ছেলে তার বউ ছিলো, কিন্তু সে দেখতে পেল এই হিজড়া বেসে অনেক টাকা ইনকাম করা যায় তাই আর দেরি না করে সার্জারি করে ফেলল কচি। বিস্তারিত আসছে আগামী পর্বে