আব্দুর রশিদ
নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালী-ঢাকা রেলপথে গণ দাবির মুখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কতৃক ৮১৭/৮১৮ অন্তনগর সূবর্ণচর এক্সপ্রেস অনুমোদন, অতপর টাইম শিডিউল, রুট, স্টপেজ ইত্যাদি প্রয়োজনী পদক্ষেপ শেষ করার পর ও,
রাজনৈতিক প্রভাব, বাস মালিক সমিতির চাপ ও রেলওয়ের সদিচ্ছার অভাবে চালু হচ্ছে না,
সপ্নের বহুল প্রত্যাশিত ট্রেন।
নোয়াখালীর বিভিন্ন মহলে বড় বড় উচ্চ পদস্থ নেতৃত থাকার পরও,
নোয়াখালীর গণ মানুষের নেতা জনাব এ এইচ এম ইব্রাহিম এমপি ব্যাতিত, দাবী আদায়ে অন্য কোন রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ কে কথা বলতে দেখা যায় না।
এমন অবস্থায়
জনগণের দাবী আদায়ে, সে কাজ কাধে তুলে নেয়।
নোয়াখালী বিভাগ চাই আন্দোলন কতৃপক্ষ।
জন দূর্ভোগ নিরাসনে, সূবর্ণচর এক্সপ্রেস বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রনালয়গুলো তে দফায় দফায় চেষ্টা, তদবির,বৈঠক করেন।
এ বিষয়ে বিভাগীয় রেলওয়ের ব্যবস্থাপক সরদার শাহাদাত আলী জানান, দেশের লোকোমাষ্টার, জনবল, ইঞ্জিন ইত্যাদির অভাবে, নোয়াখালী অভিমূখী আন্তনগর ট্রেন চালু করা সম্বব হচ্ছে না।
পরবর্তিতে জনাব এইচ এম ইব্রাহিম এমপি মহোদয় কে অভিহিত করা হলে,
তিনি রেলের উচ্চপদস্থদের দ্রুত রেল চালুর সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশনা প্রদান করেন।
*নোয়াখালী বিভাগ বাস্তবতায় কমিটির একান্ত প্রচেষ্টায়,
মাননীয় রেলমন্ত্রী জিল্লুর হাকিম আগষ্ট মাসের মধ্য,
সূর্বণচর এক্সপ্রেস চালুর আশ্বাস প্রদান করেন।
রেলওয়ে থেকে এর আগেও কয়েকবার আশ্বাস প্রদান করা হলেও, আলোর মূখ দেখেনি সূবর্ণচর এক্সপ্রেস।
এ নিয়ে স্থানীয় জনগন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
যেখানে পূর্বাঞ্চলে একটার পর একটা নতুন ট্রেন চালু হচ্ছে,
সেখানে লোকোমাস্টার, ইঞ্জিন সব সমস্যা কি শুধুমাত্র নোয়াখালীবাসীর জন্য?
পূর্বের মত, আবারও যেনো আশাহত না হতে এজন্য,
সপ্নের সূবর্ণচর এক্সপ্রেস
আশ্বাস অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে, চালু করার জন্য,
নোয়াখালীবাসী প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।