কলাপাড়ায় হোন্ডা মহড়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতা সহ সহ ৪ জনকে কুপিয়ে জখম।

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় হোন্ডা মহড়ায় আগ বাড়িয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে ৪ নেতা কর্মীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে একই (বিএনপি) দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। কোন্দলে পৌর ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি গাজী মাইনুল ইসলাম মিরন (৩৪), উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী মেহেদী হাসান (২৫),ধানখালী ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান জয় (৪০) ও স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী বাহারুল ইসলাম (৩২) কে কুপিয়ে এবং হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় ধানখালী ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি আলমগীর হাওলাদারকে দায়ী করেছেন আহতরা। মঙ্গলবার রাত ৯ টায় নোমরহাট মুন্সির স্টান্ড এলাকার এ ঘটনায়
রক্তাক্ত অবস্থায় আহতের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতালের শয্যায় আহত পৌর ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি গাজী মাইনুল ইসলাম মিরন জানান, নোমরহাট হয়ে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফিরছিলাম। এমন সময় পথিমধ্যে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আলমগীর হাওলাদারের নেতৃত্বে আগে থেকেই ওঁৎ পেতে থাকা ইউনিয়ন যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মৃধা, পিন্টু গাজী, ইলিয়াস মৃধা, জহিরুল মৃধা, মাসুম বিল্লাহ, সজিব মুন্সী, কালাম প্যাদা, তুষার মৃধাসহ ২০/২৫ জন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এমনকি মৃত ভেবে তাকে কচুরিপানা ভর্তি ডোবায় ফেলে চলে যায় অস্ত্রধারীরা।
তবে বিএনপি দলীয় নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতা এবিএম মোশাররফ হোসেনকে শুভেচ্ছা জানাতে আসা হোন্ডা মহড়াকে কেন্দ্র করে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এদিকে অভিযুক্ত আলমগীর হাওলাদারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তার নম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান চুন্নু গণমাধ্যমকে জানান, স্থানীয় কোন্দলের কারণে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। আমরা হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজ নিয়েছি, তদন্ত করে দলীয়ভাবে সিন্ধান্ত নেওয়া হবে।
কলাপাড়া থানার ওসি আলী আহম্মেদ জানান, খবর পেয়ে ঘটনস্থানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে, অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।##