নোয়াখালী সংবাদ দাতা, ১০ ডিসেম্বর, নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ ২০১৩ সালে নোয়াখালীর চাঞ্চল্যকর জামায়াত-শিবিরের ৭ মার্ডারের ১১ বছরের অধিক পরে আদালতের নির্দেশে লাশ উত্তোলন। আদালতের নির্দেশে কবরে নিহত সাজিদের হাড়গোড় ও তামার বুলেট পাওয়া গেছে। ২০১৩ সালে জামায়াত নেতা আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসির রায়কে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবিরের প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ ও কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি বসুরহাট পৌরসভার মেয়র মির্জা কাদের এর নির্দেশে নেতাকর্মীদের নেতৃত্বে জামায়াত-শিবিরের মিছিলে অতর্কিত গুলিতে ৭ জনকে গুলি করে হত্যা করে।ঐ মার্ডারের মধ্যে শহীদ মতিউর রহমান সজিবের পরিবার ৫ আগষ্ট পটপরিবর্তনের পরে আদালতে মামলা দায়ের করলে গতকাল আদালতের নির্দেশে লাশ ময়না তদন্তের জন্য কবর থেকে ঘটনার ১০ বছর ১১ মাস ২৫ দিন পরে উত্তোলন করা হয়।
গতকাল মঙ্গলবার দিনব্যাপী কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার, বসুরহাট পৌর সভার নয়ন হাজী পারিবারিক কবরস্থান থেকে লাশ উত্তোলন কালে এসময় উপস্থিত ছিলেন কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হাবেল উদ্দিন, কোম্পানিগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক মঈনুল হোসেন, এই সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের উপজেলা আমীর অধ্যাপক বেলায়েত হোসেন ও পৌর সভার আমির মাওলানা মোশারফ হোসেন সহ জামায়াত-শিবির ও স্থানীয় উৎসুক্য জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
লাশ এর উত্তোলন শেষে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হাবেল উদ্দিন জানান যে, নিহত সজিবের কবরে ১২৪ টি হাড় ও একটি পিতলের বুলেট পাওয়া গেছে। তিনি বলেন তদন্ত করে বিস্তারিত আরো জানা যাবে। উল্লেখ্য গত ২৬শে সেপ্টেম্বর আবদুল কাদের মির্জাকে প্রধান আসামী সহ মোট ১১২ জনকে আসামী করে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়।
উল্লেখ্য ২০১৩ সালে ২৪শে ডিসেম্বর বসুরহাট পৌরসভার উপজেলা জামেমসজিদ এর দক্ষিণ পাশে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলে নির্মমভাবে গুলি করে ৭ জনকে হত্যা করা হয়। #
বোরহান উদ্দিন
নোয়াখালী সংবাদদাতা