বদলী কারণে যেতে হয়েছে নোয়াখালী সদর উপজেলা ছেড়ে আখী নুরজাহান নীলা। নোয়াখালী সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে এসেছিলেন গত দুই বছর আগে। যথারীতি দায়িত্ব পালন করে সদর উপজেলার জনসাধারণের মন নিলেন কেড়ে। তিনি প্রথম যেদিন এসেছিলেন সেদিনই আমার সাথে হয় পরিচয় সেই সুবাদে শেষ বিদায় দিলাম ২১ আগষ্ট দোয়া থাকবে সাথে যেখানে থাকবেন ভালই থাকবেন ।তিনি সততার সাথে সদর উপজেলায় সরকারের জনগণের প্রাপক উন্নয়নের কাজ করেছেন। সব সময় তিনি হাস্যজ্জল অবস্থায় সকলের সাথে কথা বলতেন মন দিয়ে সুখে দুখের কথা সাধারণ লোকের শুনতেন। দুই একটি উন্নয়নের কথা না বললে নয় প্রথমে মুকিমপুর আশ্রয়েড প্রকল্পের ২০০টি ঘর নতুন নির্মাণ করে হস্তান্তর করেছেন সুষ্ঠুভাবে যা কিছু আশ্রয়ন প্রকল্প লাগবে তিনি শেষ পর্যন্ত সবকিছুই দিয়ে গেছেন বাসিন্দাদের জন্য। তিনি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে ছিলেন এবং সমাজে বেআইনি ভাবে বালুর উত্তোলনকারীদের এমন শায়েস্তা করেছেন সবগুলি বালুর মাঠ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে জব্দ করে রাজস্ব খাত বাড়িয়েছেন।
পদমর্যাদা পেয়ে বর্তমানে রাজধানী ঢাকা মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় দায়িত্ব পেয়েছেন। বলছি নোয়াখালী সদর উপজেলার সদ্য বিদায়ী ইউএনও আখিনুর জাহান নীলার কথা। তিনি যোগদানের ২ বছর পরেই বদলি জনিত কারণেবিদায়ী নিয়ে যেতে হয়েছে
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ঢাকা। বিগত দিনে অনেক ইউএনও এসেছেন আবার অনেকেই গেছেন কিন্তু সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থান নিতে পেরেছিলেন কয়জনে? সদর উপজেলার রাজনৈতিক ব্যক্তি, সুশীল, গণমাধ্যম কর্মী, উন্নয়ন কর্মী, যুব সংগঠক, শিক্ষক শিক্ষার্থী ও সেবাগ্রহীতা মানুষের সাথে আন্তরিকতা দিয়ে যেভাবে কথা বলেছেন, আগলে রেখেছেন মানুষ নিশ্চয়ই অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবেনা। ২০২৪ সালের বয়ে যাওয়া বন্যায় দায়িত্ব পালনে কেমন অটল ছিলেন তা নিশ্চয়ই কারোর অজানা নয়। সম্প্রতি জলাবদ্ধতা নিরসনে ছিলেন জিরো টলারেন্স নীতিতে। এত দায়িত্ব ও ব্যস্ততা সামলেও খোঁজ নিয়েছিলেন আমার পরিবারের,
আপনার প্রতি শ্রদ্ধা সম্মান ও ভালোবাসা দোয়া নিরন্তর ।