গত_৫১_বছরে_ও_মন্ত্রী_হয়নি_নোয়াখালী_৪_থেকে
১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী জেলা সদর থেকে নির্বাচিত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সভাপতি আবদুল মালেক উকিল আওয়ামীলীগ সরকারের স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ১৯৭৫ সালে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পুর্বে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ এর স্পীকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৭৯ সালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপি সরকারে ও নোয়াখালী সদর আসনের এমপি মোস্তাক আহমদ মন্ত্রী হতে পারেননি। এরশাদ সরকারের ৯ বছরে ও সদরের কেউ মন্ত্রী হতে পারেননি।
১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ী এমপি আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান মন্ত্রী হতে পারেননি। ১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ ও সপ্তম জাতীয় সংসদে ও নির্বাচিত হন বিএনপি প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান। ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪র্থ বার নির্বাচিত বিএনপির আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান মন্ত্রী হতে পারেননি। ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কোন সরকারে ও এ আসনের কোন জনপ্রতিনিধি মন্ত্রী হতে পারেননি।
২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ভোটার সংখ্যায় শীর্ষ ৪র্থ নোয়াখালী-৪ (সদর সুবর্ণচর) আসন থেকে ২,১৯,১৮২ভোটে নির্বাচিত হন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান। প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীকে পরাজিত করেন ৭০ ১৯৩ ভোটের ব্যবধানে।
বৃহত্তর নোয়াখালীর রাজনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে সুপরিচিত জেলা সদরের এ আসন থেকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে ৫১ বছরে মন্ত্রী না করায় জনমনে নানা সংশয় তৈরি হয়েছে। বার বার আশাহত হয়েছে স্থানীয় জনগন।
নোয়াখালীবাসী বিএনপি সরকারের মন্ত্রী সভায় দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্ত ও ৫ বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য জিয়া পরিবারের বিশ্বস্ত আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহানকে দেখতে চায়। আওয়ামীলীগের ঘাঁটি হিসেবে সুপরিচিত এ জনপদকে বিএনপির শক্ত ঘাঁটি করতে শহীদ জিয়া ও আপোষহীন নেত্রী মরহুমা বেগম জিয়ার নির্দেশনায় অক্লান্ত পরিশ্রম করেন তিনি। বিএনপির নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান তালিকায় থাকা শীর্ষ এ নেতা দলের তৃনমুল পুনর্গঠন সংক্রান্ত কঠোর দায়িত্ব পালন করে দেশ ব্যাপী নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে সচেষ্ট ছিলেন। স্থানীয় জনগনের প্রত্যাশা নোয়াখালী ৪ থেকে বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী জনপ্রিয় প্রবীন ও ত্যাগী নেতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিশ্বস্ত আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান দেশনায়ক তারেক রহমান এর মন্ত্রী সভায় তালিকাভুক্ত হবেন। ছাত্র জনতার বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন পরবর্তী সময়ে সাম্য ও মর্যাদা রক্ষা এবং বৈষম্য নিরসনকল্পে নোয়াখালীর সদর সুবর্ণচর আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মন্ত্রী হবেন, এ প্রত্যাশা এখন সবার।
মোহাম্মদ সহিদ উল্লাহ (বাচ্চু)
চরজুবিলী, সুবর্নচর, নোয়াখালী।
সদর সুবর্ণচরে জনগণ মোঃ শাহজাহান ভাই ৫ বারের এমপি এবার মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চেয়ে তারেক রহমানের নিকট আবেদন_৪_থেকে
১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী জেলা সদর থেকে নির্বাচিত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সভাপতি আবদুল মালেক উকিল আওয়ামীলীগ সরকারের স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ১৯৭৫ সালে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পুর্বে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ এর স্পীকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।১৯৭৯ সালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপি সরকারে ও নোয়াখালী সদর আসনের এমপি মোস্তাক আহমদ মন্ত্রী হতে পারেননি। এরশাদ সরকারের ৯ বছরে ও সদরের কেউ মন্ত্রী হতে পারেননি।১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ী এমপি আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান মন্ত্রী হতে পারেননি। ১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ ও সপ্তম জাতীয় সংসদে ও নির্বাচিত হন বিএনপি প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান। ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪র্থ বার নির্বাচিত বিএনপির আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান মন্ত্রী হতে পারেননি। ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কোন সরকারে ও এ আসনের কোন জনপ্রতিনিধি মন্ত্রী হতে পারেননি।২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ভোটার সংখ্যায় শীর্ষ ৪র্থ নোয়াখালী-৪ (সদর সুবর্ণচর) আসন থেকে ২,১৯,১৮২ভোটে নির্বাচিত হন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান। প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীকে পরাজিত করেন ৭০ ১৯৩ ভোটের ব্যবধানে।
বৃহত্তর নোয়াখালীর রাজনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে সুপরিচিত জেলা সদরের এ আসন থেকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে ৫১ বছরে মন্ত্রী না করায় জনমনে নানা সংশয় তৈরি হয়েছে। বার বার আশাহত হয়েছে স্থানীয় জনগন।নোয়াখালীবাসী বিএনপি সরকারের মন্ত্রী সভায় দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্ত ও ৫ বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য জিয়া পরিবারের বিশ্বস্ত আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহানকে দেখতে চায়। আওয়ামীলীগের ঘাঁটি হিসেবে সুপরিচিত এ জনপদকে বিএনপির শক্ত ঘাঁটি করতে শহীদ জিয়া ও আপোষহীন নেত্রী মরহুমা বেগম জিয়ার নির্দেশনায় অক্লান্ত পরিশ্রম করেন তিনি। বিএনপির নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান তালিকায় থাকা শীর্ষ এ নেতা দলের তৃনমুল পুনর্গঠন সংক্রান্ত কঠোর দায়িত্ব পালন করে দেশ ব্যাপী নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে সচেষ্ট ছিলেন। স্থানীয় জনগনের প্রত্যাশা নোয়াখালী ৪ থেকে বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী জনপ্রিয় প্রবীন ও ত্যাগী নেতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিশ্বস্ত আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান দেশনায়ক তারেক রহমান এর মন্ত্রী সভায় তালিকাভুক্ত হবেন। ছাত্র জনতার বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন পরবর্তী সময়ে সাম্য ও মর্যাদা রক্ষা এবং বৈষম্য নিরসনকল্পে নোয়াখালীর সদর সুবর্ণচর আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মন্ত্রী হবেন, এ প্রত্যাশা এখন সবার।
মোহাম্মদ সহিদ উল্লাহ (বাচ্চু)
চরজুবিলী, সুবর্নচর, নোয়াখালী।